খুন নয়, আত্মহত্যাই করেছে জি ডি বিড়লা স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী কৃত্তিকা পাল। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট দেখে সে বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত তদন্তকারীরা। শুক্রবার স্কুলের শৌচাগারের মধ্যেই মুখে প্লাস্টিক জড়ানো অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল কৃত্তিকার। তার হাতের শিরাও কাটা ছিল। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় ওই ছাত্রীর। 

সূত্রের খবর, শ্বাসরোধ হয়েই কৃত্তিকার মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। হাতের শিরা কাটার পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে কৃতিকা নিজেই প্লাস্টিক দিয়ে নিজের মুখ মুড়ে নিয়েছিল বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। পড়াশোনার চাপেই দশম শ্রেণির ছাত্রী কৃত্তিকা চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও অনুমান পুলিশের। 

আরও পড়ুন- কৃত্তিকার আত্মহত্যা লক্ষ শিশুর হয়ে প্রশ্ন, বাবা‌-মা শুনছেন

কিন্তু স্কুলের মধ্যেই আত্মহত্যার ভাবনা কীভাবে এল কৃত্তিকার মাথায়? সুইসাইড নোট থেকেই পুলিশের অনুমান, ওয়েব সিরিজ দেখে এ ভাবে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিল কৃত্তিকার। তদন্তের কারণে কৃত্তিকার বাবার মোবাইল ফোনও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, তার স্কুলের সহপাঠী এবং অন্যান্য কর্মী, শিক্ষকদের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ। 

কিন্তু একা কৃত্তিকার কীভাবে স্কুলের শৌচাগারের মধ্যে এমন কাণ্ড ঘটালো তা নিয়ে এখনও মৃত ছাত্রীর পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে অনেক অভিভাবকই সংশয়ে রয়েছেন। ময়নাতদন্তের পরে এ দিনই কৃতিকার দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।