দীর্ঘ টালবাহানার শেষে গত শুক্রবার সল্টলেকের সিজিও কম্পলেক্সে হাজিরা দিলেন রাজীব কুমার। এর আগে টানা প্রায় কুড়ি দিন সিবিআই-এর সঙ্গে লুকোচুরি চালিয়েছেন রাজীব কুমার। সূত্রের খবর, এবার সিবিআই-এর মুখোমুখি বসে রাজসাক্ষীও হতে চাইলেন রাজীব কুমার।

গত ১৭ মে রাজীবের ওপর থেকে রক্ষাকবচ তুলে নেয় সুপ্রিম কোর্ট। এর পরে সাত দিন অন্তর্বতী নিষেধাজ্ঞা ছিল রাজীহ কুমারের গ্রেফতারির ওপর। সেই মেয়াদ পেরোলেই সিবিআই-কে ঘোল খাওয়াতে শুরু করেন রাজীব। সিবিআই হন্যে হয়ে খুঁজেছে তাঁকে। রাজীব দূত মারফত জানিয়ে দেন ব্যক্তিগত ছুটিতে উত্তরপ্রদেশ রয়েছেন। ইতিমধ্যে ৩০ মে হাইকোর্টের শুনানিতে জানানো হয় রাজীবকে এখন গ্রেফতার করতে পারবে  না পুলিশ। তবে পাসপোর্ট জমা করতে হবে তাঁকে। বসতেও হবে সিবিআই-এর মুখোমুখি। বৃহস্পতিবার তাঁকে ফের তলব করে সিবিআই।

সিবিআই সূত্রের খবর, এবারের জিজ্ঞেসাবাদে রাজীব গোঁড়াতেই  জানিয়ে দেন সিবিআই তাঁকে রাজসাক্ষী রাখতে চাইলে প্রস্তুত তিনি। রাজীবের প্রস্তাব সেখানেই ফিরিয়ে দেন সিবিআই কর্তারা।

রাজীবের অনুপস্থিতিতে বসে থাকেনি সিবিআই। তলব করেছে রাজীব ঘনিষ্ঠ দুই পুলিশ কর্তা অর্ণব ঘোষ ও দিলীপ হাজরাকে। তাঁদের বয়ান রাজীবের বিপক্ষেই গিয়েছে।  তাছাড়া রাজীব নিজেও খুবই অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখেছে সিবাআই-কে। সেই জন্যেই রাজীবের প্রস্তাব মানতে চায় না সিবিআই। উলটে প্রায় চার ঘণ্টা জেরা করা হয়েছে তাঁকে। ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে কূটপ্রশ্ন। রেকর্ড করা হয়েছে বয়ান।  প্রসঙ্গত, রাজীব ছাড়াও অন্য সমস্ত আইও-র বয়ান ১২ জুন হাইকোর্টের রেগুলার বেঞ্চে জমা দেবে সিবিআই।