নাগরিকত্ব বিক্ষোভের জেরে এবার ব্যাকফুটে মমতার সরকার। বিক্ষোভকারীদের ট্রেন জ্বালানোর ঘটনায় আটকে গেল নতুন রেল প্রকল্প। রাজ্য় সরকার মুচলেকা দিলেই সল্টলেকে মেট্রো চালু হওয়া সম্ভব বলে জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই বক্তব্য় ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।  

কথা ছিল ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যেই সল্টলেকে চালু হয়ে যাবে মেট্রো। কিন্তু নতুন বছরে পা দিয়েও সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা শুরু হল না। যার জন্য মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সরকারকেই দায়ী করলেন আসানসোলের  সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। মঙ্গলবার বাবুল বলেন, অনেক চেষ্টা করে রেলমন্ত্রীকে রাজি করিয়ে ২৫ ডিসেম্বর মেট্রো পরিষেবা শুরুর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু রাজ্য়ে সিএএ নিয়ে ধ্বংসাত্বক বিক্ষোভ দেখে পিছিয়ে এসেছে রেল। বহু জায়গায় ট্রেন পুড়িয়ে দেওয়া ছাড়াও রেলের সম্পত্তিতে ভাঙচুর চালিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। সেই কারণেই মেট্রো স্টেশন বা নতুল রেলের রেক নিয়ে চিন্তায় রয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। 

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে রাজ্য সরকার মুচলেকা দিলেই তবে মেট্রো পরিষেবা চালু হতে পারে। কারণ আগামী দিনে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে মেট্রোর ক্ষতি হলে তার ক্ষতিপূরণ রেলকেই ভরতে হবে। সেই ভাবনা থেকেই সল্টলেক থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত মেট্রো প্রকল্প থমকে গিয়েছে। যদিও বিজেপি নেতার এই উষ্মার মধ্যেও রাজনীতি খুঁজে পেয়েছে তৃণমূল। 

এ বিষয়ে কলকাতার মেয়র তথা রাজ্য়ের নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন,রাজ্য়ের উন্নয়নে নেতিবাচক রাজনীতি করছে বিজেপি। আসলে রাজ্য়ের উন্নয়ন হোক সেটাই চায় না ওরা। সিএএ বিরোধী আন্দোলনে কোথাও মেট্রো রেলের সম্পত্তি নষ্ট করেনি বিক্ষোভকারী। তা সত্ত্বেও উনি মেট্রো প্রকল্পের কাজ আটকে গেছে বলছেন। ওনাদের জনগণের প্রতি কোনও দায়িত্ব বোধ নেই। বাবুলের মন্তব্য থেকেই বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে গেছে।