শেষ মুহুর্তে রুট বদল। মিলেনিয়াম পার্ক থেকে জলপথেই মোদী যাবেন বেলুড়। ইতিমধ্যেই সেই প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে প্রধানমন্ত্রীর স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ। সিএএ প্রতিবাদীদের নাছোড় মূর্তি  দেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।  

সিএএ নিয়ে হাজার বিক্ষোভ হলেও তাঁরা যে পিছু হটবেন না তা আগেই জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মোদীর কলকাতা সফরের আগে নতুন করে কার্যকর করা হল নাগরিকত্ব আইন। যার জেরে প্রধানমন্ত্রীর কলকাতা সফরে একাধিক বিক্ষোভের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।  কৈখালি, রাজভবন, ওয়াই চ্যানেলে বিক্ষোভের কর্মসূচি নিয়েছে বেশকিছু সংগঠন। ইতিমধ্য়েই মিলেনিয়াম পার্ককে গরেুয়া রঙে মুড়ে দেওয়া হয়েছে। পার্কের দখল নিয়েছ এসপিজি। সেখান থেকেই জলপথে বেলুড় মঠ যাবেন প্রধানমন্ত্রী।

গরিবের চাল ধনীর হাতে, ঠাকুরপুকুরে হাতেনাতে ধরা পড়ল রেশন মালিক 

শনিবার বিকেলে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম কলকাতায় আসছেন নরেন্দ্র মোদী। ইতিমধ্য়েই নমো-কে স্বাগত জানাতে তৈরি হচ্ছে রাজ্য় বিজেপি। পোর্ট ট্রাস্টের একটি অনুষ্ঠানে আসছেন তিনি। সিএএ বিরোধিতার মধ্য়ে রাজ্য়ে মোদী আসায় কঠোর নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে মহানগরকে।  

তবে শনিবার শহরে এলেও রবিবার কলকাতা বন্দরের দেড়শো বছরের পূর্তি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন তিনি। মূলত, এই অনুষ্ঠানের জন্যই কলকাতায় আসছেন নমো। তবে একই সঙ্গে বেশকিছু কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। জানা গেছে, শনিবার বিকেল ৫টায় কলকাতা বিমানবন্দরে নামবেন নমো। হরে এসে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে যাবেন কেন্দ্রের সংস্কৃতি মন্ত্রকের একটি পেন্টিং মিউজিয়ামের উদ্বোধনে। এই মিউজিয়াম উদ্বোধন হবে ওল্ড কারেন্সি বিল্ডিংয়ে। সন্ধে ৫ টা ৪৫ মিনিটে  এই মিউজিয়ামের উদ্বোধন হওয়ার কথা।

দিলীপের উল্টো পথে মমতা, পদযাত্রা থামিয়ে জায়গা করে দিলেন অ্যাম্বুল্যান্সকে

সেখান থেকে তিনি যাবেন মিলেনিয়াম পার্কে। বৃহস্পতিবারই যে কারণে গেরুয়া রঙে রেঙে উঠেছে মিলেনিয়াম পার্ক। এরপর ৭ টায় হাওড়া ব্রিজে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড ব্যবস্থার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ৭টা ৪৫-এ বেলুড় মঠে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। পরবর্তী পরিকল্পনা অনুযায়ী রাত সাড়ে ৮টায় ঢুকে যাবেন রাজভবনে। সেখানেই রাতে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার সকাল ১১ টা নাগাদ নেতাজি ইন্ডোরে বন্দরের দেড়শো বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকেই  ১২ টা ৪৫ শে দিল্লি উড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সূত্রের খবর, রাজ্য বিজেপি মোদীকে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা জানিয়েছে। কিন্তু এখনও সেই কর্মসূচির কোনও নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।

'চোখ খুলে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট', নৈহাটি বিস্ফোরণ নিয়ে টুইট রাজ্যপালের 

এদিকে মোদীকে কালো পতাকা দেখানোর কথা ঘোষণা করেছে সিপিএম-সহ বাম দলগুলি।  সিপিএম-এর পলিটব্যুরো সদস্য  মহম্মদ সেলিম বলেছেন, মোদীকে কালো পতাকা দেখিয়ে গো ব্যাক স্লোগান তুলবেন তারা। মমতার পুলিশ বাধা দিলে মমতাকেও গো ব্য়াক স্লোগান দেবে বাম কর্মী সমর্থকরা। বিমানবন্দরে মোদী নামার পর থেকেই শুরু হবে বিরোধিতার পালা।