বিধানসভা থেকে বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের মতো সাজবে কালীক্ষেত্র, বাঙালির প্রিয় সতীপীঠ। বিধানসভা থেকে বুধবার পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, কালীক্ষেত্রকে ঢেলে  সাজানো হবে। তার জন্যে প্রয়োজনীয় কাজকর্ম শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রকল্প রিপোর্ট তৈরি হয়ে গেলেই কাজ শুরু করবে রাজ্য সরকার।দক্ষিণেশ্বরের ধাঁচেই কালীঘাট মন্দির।

গত বছর নভেম্বর মাসে জনসাধারণের জন্য়ে খুলে গিয়েছিল দক্ষিণেশ্বরের স্কাইওয়াক। সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে এদিন ফিরহাদ হাকিম বলেন, 'দক্ষিণেশ্বরে ৬৩ কোটি ১০ লক্ষ টাকা খরচ করে  স্কাইওয়াক হয়েছে। তারাপিঠে ও কঙ্কালিতলায় ২ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা খরচ করেছে রাজ্য সরকার।  এবার কালীঘাট মন্দির সংস্কারে হাত দেব আমরা।'

এদিন যারা তোষণ প্রশ্নে সরকারের বিরোধিতা করেন তাদেরও একহাত নেন ফিরহাদ হাকিম। বলেন, 'যারা বলেন আমরা নাকি একটি অংশকেই দেখি, তাঁদের বলি আমাদের এই কাজ ধর্মনিরপেক্ষতার নজির।' এই সময় তিনি দক্ষিণেশ্বরে অন্যান্য আনুষাঙ্গিক খরচেরও নমুনা দেন।

প্রসঙ্গত হিন্দুদের অন্যতম প্রিয় সতীপীঠ এই কালীঘাট। পীঠমালাতন্ত্র অনুসারে এখানে সতীর ডান পায়ের চারটি আঙুল পড়েছিল। আট বছর সময় ধরে সাবর্ণ জমিদার শিবদাস চৌধুরী এই মন্দির তৈরি করেছিলেন। মন্দির সংলগ্ন জমিটি ১বিঘা ১৫কাঠা ৩ছটাক। প্রতিদিনই এইখানে সারা দেশ থেকে এখানে আসেন হাজার হাজার দর্শনার্থী। অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পাণ্ডারাজ নিয়ে। স্কাইওয়াক হলে মন্দির চত্বর সত্যিই সুন্দর হবে। কিন্তু পাণ্ডারাজ থেকে কি মুক্তি পাবেন সাধারণ দর্শনার্থীরা, প্রশ্ন থাকছে।