রাজ্য়ে একইদিনে ২৯ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ। ওই করোনা আক্রান্তদের বেশিরভাগই পরিযায়ী শ্রমিক। অনেকেই ফিরেছেন মহারাষ্ট্র ,পঞ্জাব বা অন্য় রাজ্য় থেকে। আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছেন কারা,তাঁদেরও খোঁজ চলছে। এমনটাই জানিয়েছে, জেলা  স্বাস্থ্য দফতর।

আরও পড়ুন, ইলিশের মরশুমে ক্ষতির আশঙ্কায় মৎস্যজীবীরা, আমফানের জেরে জলের নীচে অসংখ্য় নৌকা-ট্রলার

 হুগলির গ্রামীণ এলাকাতেও এবার করোনা থাবা বসাল। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর,  শনিবার ২৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের জীবাণুর উপস্থিতি মিলেছে। এদের মধ্য়ে  ১৮ জন আক্রান্তকে ভর্তি করানো হয়েছে শ্রীরামপুর শ্রমজীবী হাসপাতালে।  তাঁদের মধ্যে শুধু খানাকুলেরই রয়েছেন ১০ জন। ১ জন করে রয়েছেন আরামবাগ, ধনেখালি,  বলাগড়, পুরুষোত্তমপুর, হরিপাল এবং পান্ডুয়ার। ২ জন করে রয়েছেন দাদপুর, জাঙ্গিপাড়া এবং চণ্ডীতলা থেকে। সিঙ্গুরের চার জন এবং তারকেশ্বরের ৩ জনও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তবে আক্রান্তদের বেশিরভাগই পরিযায়ী শ্রমিক। অনেকেই ফিরেছেন মহারাষ্ট্র ,পঞ্জাব বা অন্য় রাজ্য় থেকে। ওই  আক্রান্তদের সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।  

আরও পড়ুন, রবিবার থেকে টানা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, কলকাতার তাপমাত্রা ফের স্বাভাবিকের উপরে

সম্প্রতি মহারাষ্ট্র থেকে দুটি বিশেষ ট্রেনে হুগলিতে ফিরেছিলেন ৩০৩ জন শ্রমিক। সকলের লালারসের নমুনমা পরীক্ষায় পাঠানো হয়। তাঁদের মধ্যে সিঙ্গুর এবং তারকেশ্বরের মোট সাত জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে  জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কাছে রিপোর্ট এসেছে। তাঁদের চিকিৎসা শুরু হয়েছে বলে ওই দফতর জানিয়েছে। 

আরও পড়ুন, ঘূর্ণীঝড় আমফানের থাবা শহরের ৩০০টি রেশন ঘরে, ক্ষতিগ্রস্থ ৯০ কোটির খাদ্য়সামগ্রী