সকালে করতে দেবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মমতা। বিকেলে রাজ্যে এনআরসি হবেই বলে হুংকার দিলেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপি রাজ্য সভাপতির বক্তব্য, প্রয়োজনে অসমের মতো সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানেই জাতীয় নাগরিকপঞ্জী হবে বাংলায়।

এবার সরাসরি এনআরসি নিয়ে সম্মুখ সমরে দিলীপ-মমতা। দুপুরে শ্য়ামবাজারে দাঁড়িয়ে মমতা বলেন,প্রাণ থাকতে বাংলায় এনআরসি নয়। বিকেল হতেই তৃণমূল নেত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ দিলীপের,বাংলায এনআরসি হবেই। শুধু এই বলেই থেমে থাকেননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি। কীভাবে বাংলায় এনআরসি সম্ভব তারও পথ বাতলে দিয়েছেন মেদিনীপুরের সাংসদ। এদিন রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে দিলীপবাবু বলেন, অসমের থেকে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি বেশি জরুরি। কারণ বাংলাদেশ থেকে ২ কোটি অনুপ্রবেশকারী মুসলিম বাংলায় ঢুকেছে। যার মধ্যে এক কোটি এখানকার নাগরিক হয়ে গেছে।  বাকি এক কোটি ছড়িয়ে গেছে গোটা দেশে। এদের সবাইকে চিহ্নিত করতে এনআরসির প্রয়োজন। বাংলায় এনআরসি করতে কেউ আটকাতে পারবে না। তিন তালাক ৩৭০ ধারা বিল যেমন পাস হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখেছেন,তেমনই এনআরসি বিল রাজ্যে পাশ হবে মমতা ব্যানার্জি স্বচক্ষে দেখবেন।

মমতার ওপর হামলায় অভিযুক্ত লালু আলমকে বেকসুর খালাস

অর্থনীতির ধস থেকে নজর ঘোরাতেই এনআরসি, মন্তব্য মমতার

দিলীপের অভিযোগ, বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারী ছাড়াও রোহিঙ্গা মুসলিমরা এ রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছেন। মমতার আশ্রয়ে এই অনুপ্রবেশকারীরা রাজ্য়ে ভোটার হয়ে গেছেন। এরা সব জায়গায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করতে চায়। উন্নয়নে বাধা দিতে চায়। এদেরকে দেশ থেকে বিতারিত করা হবে। তবে এই বলেই থেমে থাকেননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর মতে, হিন্দু-মুসলিমের ভিত্তিতেই এই দেশ ভাগ হয়েছে। হিন্দুদের সঙ্গে থাকবেন না বলেই মুসলিমরা ওদেশে চলে গেছে। তারপরও কেন মুসলিমরা এ দেশে ঢুকছে? তবে ওই দেশের হিন্দু নিপীরিতদের পাশে থাকছে সরকার। যে হিন্দুরা ওদেশ থেকে নিপীরণের শিকার হয়ে এ দেশে আসবেন তাঁদের জন্য দরজা খোলা বিজেপির। এ জন্যই সরকার সিটিজেন্স অ্যামেন্ডমেন্ট বিলে সংশোধনী আনছে।

পক্ষীকূল বাঁচাতে অভিনব উদ্যোগ,অপ্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে কৃত্রিম বাসা বানিয়ে তাক লাগালেন ব্য়ক্তি

নিমেষে উধাও বিনামূল্যের কন্ডোম, শিলিগুড়ির হাসপাতালে ফাঁকাই পড়ে বাক্স