বাঙালির কি বারো মাসে কেবল তেরোটিই পার্বণ? নাকি আরও বেশি! পার্বণেরর সংখ্যা যা-ই হোক না কেন, কোনও অনু্ষ্ঠানই কিন্তু মিষ্টি ছাড়া সম্পুর্ণ নয়। আর বাঙালীর জামাইষষ্ঠীর মতো শুভ অনুষ্ঠানে জামাইয়ের পাতে মিষ্টি পড়বে না- এমনটা হতেই পারে না। 

আর এই জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে কী কী ধরণের মিষ্টির পসরা সাজিয়ে রেখেছে বলরাম মল্লিক, তা জানতে এশিয়ানেট নিউজ বাংলার পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল বলরাম মল্লিক ও রাধারমণ মল্লিক-এর ভবানীপুরের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার কনক মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে যে, অন্যান্য বারের মতো এবারও তাঁরা মিষ্টির তালিকায় সবার আগে রাখছেন জামাইষষ্ঠী লেখা ছাপ সন্দেশ। এটা তাঁরা প্রতি বছরই বানিয়ে থাকেন। গুড়ের তৈরি এই ছাপ সন্দেশেও রয়েছে অনেক রকমের বৈচিত্র। স্ট্রবেরি, ম্যাঙ্গো, পাইনআপল, চকোলেট ফ্লেভারে রয়েছে এই ছাপ সন্দেশের। জামাই বাবাজির পছন্দসই ফ্লেভারের সন্দেশই সাজিয়ে দেওয়ার সুবন্দোবস্ত করেছে বলরাম মল্লিকের মিষ্টি ম্যাজিক। 

এখানেই শেষ নয়, জামাইষষ্ঠীর জন্য এবার রয়েছে মাছ সন্দেশ। ছানা দিয়ে তৈরি এই সন্দেশে তৈরি করা হয়েছে ছোট ছোট মাছের আকারে। এই ছাপ সন্দেশ জামাইষষ্ঠীর জন্য বিশেষ একটি মিষ্টি। এছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে সুস্বাদু লিচুর পায়েস, ম্যাঙ্গো জিলাটো সন্দেশ, স্ট্রবেরী সুফলে, চকোলেট ক্যারামেল-এর মতো ফিউশন মিষ্টির এক বিশাল সম্ভার নিয়ে প্রস্তুত বলরাম মল্লিক ও রাধারমণ মল্লিক। 

তবে জামাইকে কেবল ফলই নয়, এবার পাতে তুলে দিতে পারেন ফলের আকারের মিষ্টি। জামাইষষ্ঠী উপলক্ষ্যে বলরাম মল্লিকের অন্যতম সংযোজন কাঁঠাল সন্দেশ। জামাই যদি কাঁঠাল খেতে পছন্দ না করেন, তাহল তাঁর পাতে তুলে দিন এই কাঁঠাল সন্দেশ। 

তবে কেবল ফিউশন সন্দেশই নয়, প্রতিবারের মতো এবারের জামাইষষ্ঠীতেও রয়েছে প্রাচীন ঘরানার কিছু মিষ্টিও। সেই তালিকায় রয়েছে, জলভরা সন্দেশ, আনন্দ আনারস সন্দেশ, মধুবর্ণ সন্দেশ, এর পাশাপাশি বেকড্ রসগোল্লা এবং বেকড্ মিহিদানা তো রয়েছেই। 

জামাইয়ের পাতে ইলিশ, পকেট থেকে খসবে কত, জানুন বাজার দর

এই মরশুমে ক্রেতাদের কাছ থেকে কী কী মিষ্টির চাহিদা রয়েছে জানতে চাওয়ায় কনকবাবু বলেন, জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে জিলাটো সন্দেশ, ম্যাঙ্গো সুফলে, স্ট্রবেরী সুফলে, লিচুর পায়েস, ডাব সন্দেশ-এর চাহিদা খুবই বেশি। তাহলে এবারের জামাইষষ্ঠীতে ছেয়ে যাক বলরাম  মল্লিক ও রাধারমণ মল্লিক-এর মিষ্টি ম্যাজিক।