অবৈধ প্রেমের জন্য তিন আগে অন্য ব্যক্তির সঙ্গে পালিয়ে যায় শেখ রাবানের স্ত্রী। স্ত্রীকে হন্যে হয়ে হয়ে খোঁজা শুরু করে শেখ রাবান। স্ত্রীর খোঁজ চেয়ে এলাকার প্রতিবেশীদের কাছেও সাহায্য চায় সে। কেউ সাহায্য় না করায় পুরস্কারের লোভ দেখায় শেখ রাবান ওরফে রবিউল মিস্ত্রী। 

প্রতিবেশীদের কাছে রবিউল বলে, যে স্ত্রীকে খুঁজে দিতে পারবে, তাকে ৫০০ টাকা পুরষ্কার দেওয়া হবে। কিন্তু যুবকের কথায়ে কেউ গুরুত্ব দেয়নি। উল্টে বিরক্ত হয়ে তাকে দোষারোপ করেন প্রতিবেশীরা। তখনই  প্রতিবেশীদের  খুন করার পরিকল্পনা করে সেই যুবক। 

 

 

সেই রাতেই এলাকার ১৭টি বাড়িতে জিআই তার দিয়ে বিদ্যুৎসংযোগ করে দেয় যুবক। জানা গিয়েছে, নিজের ঘরের মেন লাইন থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে ১৭ টি বাড়ির দরজার সামনে জিআই তার ঝুলিয়ে রাখে রবিউল। কিছুক্ষণ পরে নিজের ঘরের সামনে আগুন লাগিয়ে আগুন আগুন বলে চিৎকার করতে থাকে সে। রবিউলের চিৎকার শুনেই  প্রতিবেশীরা দরজা খুলে বেরোতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর অবস্থায় ৬ জনকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

 

 

অভিযুক্ত রবিউল সকালবেলা চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকেরা তাকে টালিগঞ্জ স্টেশন থেকে ধরে আকড়া স্টেশনে নিয়ে আসে। সেই সময়ে সময়ে আহতদের পরিবারের লোকেরা  রবিুলের উপরে চড়াও হয়ে মারধর করতে থাকে। ঘটনাস্থলে পুলশি গিয়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বিদ্যাসাগর হাসপাতালে ভর্তি করে। কিছুক্ষণের মধ্যে সেই অভিযুক্ত রবিউল ওরফে শেখ রাবানেরও মৃত্যু হয়।