ভোট মিটেছে। কিন্তু মেটেনি  রাজনৈতিক হিংসা। সন্দেশখালি, ভাটপাড়া , আমডাঙা প্রতিদিন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের সংবেদনশীল অঞ্চলগুলি। সন্দেশখালির ঘটনা তো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে প্রশাসনিক ব্যর্থতা। প্রাণও গিয়েছে তিনজনের। 

স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছিল কেন সন্দেশখালি নিয়ে মুখে কুলুপ কেন বসিরহাটের নবনির্বাচিত সাংসদ নুসরতের। প্ৰশ্নকর্তারা অবশ্য উত্তর পেয়েই গিয়েছিলেন।  সন্দেশখালি তথা বসিরহাটের সাংসদ নুসরত জাহান বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত। এমনকী লোকসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানেও পৌঁছতে পারেন নি। বন্ধুর ডেস্টিনেশান ওয়েডিং বলে কথা। লোকসভায় গড়হাজির ছিলেন মিমিও। অবশেষে সেই বিয়ের  পর্ব মধুরেণ সমাপয়েৎ। রবিবার তুরস্ক থেকে ফিরছেন তিনি দেনে স্বাভাবিক ভাবেই এয়ারপোর্টে ভীড় জমিয়েছিলেন সাংবাদিকরা। সাংবাদিকদের সামনে মুখ খুলে অবশ্য বুমেরাং-ই করলেন নুসরত।

এদিন বিমানন্দরে আরেক প্রস্থ মালাবদলের শেষে নুসরত বলেন, 'দলের লোকজন ওই এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। আমি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সব কিছু নিয়ন্ত্রণে রেখেছি।' 

প্রসঙ্গচ তুরস্ক থেকে ফিরলেও এখনও বিয়ে পর্ব মেটেনি নুসরতের। সামনেই তাঁর রিশেপসান। জোরকদমে শুরু হয়েছে তার প্রস্তুতি।

কিন্তু গোল বেধেছে তাঁর আজকের মন্তব্য নিয়ে। স্বাভাবিক ভাবেই প্ৰশ্ন উঠছে, তাই যদি হবে, এতদিন একটিও প্রেস বিবৃতি দেননি কেন তিনি? সন্দেশখালিত যখন সন্ত্রাসের আগুন ঠিক কী ভূমিকা নিয়েছিলেন সেখানকার সাংসদ? দলীয় কর্মীর মৃত্যুতে যখন বিজেপির নেতারা ছুটে গিয়েছিল তখন কেন একবারও সমবেদনার হাত বাড়িয়ে দেননি বিপুল ভোটে জিতে ক্ষমতায় আশা নুসরত জাহান। প্রশ্ন উঠছে মানুষের মনে, উত্তর দেবে ব্য়ালট বাক্স।