২১ জুলাই সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ২৯ জুলাই বড় ঘোষণা করবেন। আজ ২৯ জুলাই সেই নিয়েই নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠক। জানা যাচ্ছে এদিন তৃণমূল তাদের নতুন জনসংযোগ কৌশলের সঙ্গে মানুষকে পরিচয় করাবেন। এই জনসংযোগ কৌশলের নাম দিদিকে বলো। এই কৌশল প্রশান্ত কিশোরের মস্তিষ্কপ্রসূত বলেই মনে করা হচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে।

দিদিকে বলো এই কৌশল অনুযায়ী, বিভিন্ন সমস্যা অসুবিধার কথা, দলের প্রতি ফিডব্যাক, রাজ্যের বিভিন্ন পরিস্থিতি সম্পর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানানো যাবে। এই প্রকল্পের ভিত্তিতে গ্রামে গ্রামে ঘুরবেন তৃণমূলের পরিদর্শকরা। এরা বাড়ি বাড়ি গিয়েও মানুষের সমস্যার কথা জানবেন। সার্ভে শিটের মাধ্য়মে মানুষের অসুবিধার কথা জানবেন তাঁরা। 

এদিন সাংগঠনিক বৈঠকে জলসংযোগের জন্য চার জন হোলটাইমারকে নিযুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এদেঁর মধ্য়ে একজন থাকবেন সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল করার জন্য। আজ সাংগঠনিক বৈঠকেই এঁদের নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। 

তৃণমূলের এই পদক্ষেপকে ভাবমূর্তি ফেরানোর কৌশল বলেই  মনে করা হচ্ছে। একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে বারংবার বিভিন্ন সমস্যায় মুখে কুলুপ এঁটে থাকার অভিযোগ রয়েছে। এমনকী, গত পাঁচ বছরে একবার সাংবাদিক সম্মেলন করলেও  সেখানেও চুপ থেকেছিলেন মোদী। বারবার গণপিটুনির গটনায়ও চুপ থাকায় তাঁকে চিঠি পাঠিয়েছেন ৪৯ জন বিশিষ্টজন। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের মানুষের এত কাছে গিয়ে সমস্যার কথা শোনার উদ্যোগ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।