বুধবার আরও নামল কলকাতার তাপমাত্রা।  আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বুধবার কলকাতার নুন্যতম তাপমাত্রা ১৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়ার্স। আগামী ২৪ ঘণ্টায় শীতের আমেজ বজায় থাকবে রাজ্যে। কোথাও কোথাও জাঁকিয়ে শীতের পরিস্থিতি। জেলায় জেলায় তাপমাত্রা আরও বেশ কিছুটা নামবে। বেশকিছু জেলায় জাঁকিয়ে শীত এর পরিস্থিতি। শুক্রবার থেকে ফের তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত আবহাওয়া দপ্তরের।

 

আরও পড়ুন, শীতে কলকাতায় ঘোরার সেরা জায়গা, কমলালেবু খেতে খেতে বেড়িয়ে আসুন এই ঠিকানায়

 

 

আরও পড়ুন, জীভে জল আনা কলকাতার সেরা স্ট্রীট ফুড, শীতের আমেজে বেরিয়ে পড়ুন শহরের এই ঠিকানায়

 

কলকাতার নুন্যতম তাপমাত্রা ১৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়ার্স

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্য়োপাধ্য়ায় জানিয়েছেন, এই ঠান্ডা বজায় থাকবে ২৫ তারিখ পর্যন্ত। ২৬ তারিখ একটু তাপমাত্রা বাড়বে। তারপর থেকে সারা রাজ্য জুড়ে তাপমাত্রা আবার কমতে থাকবে. এই মাস জুড়ে শীতের আমেজ বজায় থাকবে রাজ্যজুড়ে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বুধবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা  ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের ৩ ডিগ্রি নীচে। নুন্যতম তাপমাত্রা  ১৭.১ ডিগ্রী সেলসিয়াস।   স্বাভাবিকের ১ ডিগ্রি নীচে। শহরের তবে কলকাতার নুন্যতম তাপমাত্রা ১৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়ার্স। শহর ও শহরতলিতে, আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ- সর্বাধিক  ৯৫ শতাংশ এবং ন্যুনতম ৪৯ শতাংশ। সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা  ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের ১ ডিগ্রি নীচে। নুন্যতম তাপমাত্রা  ১৫.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস।   স্বাভাবিকের ৩ ডিগ্রি উপরে। শহরের তবে কলকাতার নুন্যতম তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়ার্স। শহর ও শহরতলিতে, আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ- সর্বাধিক  ৯৪ শতাংশ এবং ন্যুনতম ৩৯ শতাংশ।  


বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া দ্বিতীয় শক্তিশালি ঘূর্ণি ঝড় হল নিভার

অপরদিকে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব পড়বে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। বুধবার জম্মু কাশ্মীর লাদাখ হিমাচল প্রদেশের তুষারপাতের সম্ভাবনা। আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরের জোড়া ঘূর্ণিঝড়। আমফানের পর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া দ্বিতীয় শক্তিশালি ঘূর্ণি ঝড় হল নিভার। তবে এটি ওড়িশা বা পশ্চমবঙ্গ উপকূলে দিকে না এসে তাণ্ডব চালাতে শুরু করেছে দক্ষিণভারতের উপকূলবর্তী এলাকা। ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ুর বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে চেন্নাইতে। ভারতের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় তামিলনাড়ু ও পদুচেরি উপকূলে এটি আছড়ে পড়বে। ঘূর্ণিঝড় নিভার মূলত আছড়ে পড়বে কারাইকাল ও মামাল্লাপুরমের মাঝখানে। আর সেই কারণে পদুচেরি, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশে ভারি বৃষ্টি হবে বলেও জানান হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। 

 

আরও পড়ুন, ভারতের ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়গুলির নাম জানলে অবাক হতে হয়, দেখুন পর পর ছবি

 

 

 


প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিকে দুর্যোগ মোকাবিলায়  সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন 

আইএমডির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় নিভার যখন সমতলে আছড়ে পড়বে তখন বাতাসের গতি থাকবে ঘণ্টায় ১২০-১৩০ কিলোমিটার। বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেঘ ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার থাকার কথাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না আবহাওয়াবিদরা।  এই ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করেছিল ইরান। ২০২০ সালে নিবার হল ভারত মহাসাগরে তৈরি হওয়া চতুর্থ ঘূর্ণিঝড়। এটি আম্ফানের থেকে কিছুটা কম শক্তিশালী বলেও দাবি করেছেন আবহাওয়াবিদরা। শক্তিশালি এই প্রাকৃতিক তাণ্ডব মোকাবিলা করার জন্য তৈরি রয়েছে প্রশাসন। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৩০টি দল ইতিমধ্যে কাজ করতে শুরু হয়েছে। যারমধ্যে তামিলনাড়ুতেই কাজ করছে ১২টি দল।দুটি দল কাজ করছে পদুচেরিতে আর একটি দল কাজ করছে কারাইকাল এলাকায় কাজ করছে।  মঙ্গলবার সকালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।