বাড়ল না মৃতের সংখ্যা। রাজ্য়ের করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৯৮। রাজ্য়ের বুলেটিন বলছে, রবিবার পর্যন্ত রাজ্য়ে করোনা থেকে ৬৬ জন মুক্তি  পেয়েছেন। ইতিমধ্য়েই সুস্থ হয়ে বাড়ি পৌঁছে গিয়েছেন তারা। মৃতের সংখ্য়া ১২।

রাজ্য়ে 'শুরু' র‌্যাপিড টেস্ট,সংক্রমণ বেশি ছড়িয়েছে এমন এলাকায় পরীক্ষা..

রাজ্য় সরকারের বুলেটিন জানাচ্ছে, বাংলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৩৫ হাজার ৮১ জন। রাজ্যজুড়ে হাসপাতালগুলিতে আইসোলেশনে থেকেছেন মোট ৩ হাজার ২৩৩ জন। আইসোলেশন পর্ব পার করে ছাড়া পেয়ে গেছেন ২ হাজার ৭০৮ জন। এই মুহূর্তে করোনা আক্রান্ত হয়ে বা আক্রান্ত সন্দেহে আইসোলেশনে থাকা রোগীর সংখ্যা ৫২৫। রাজ্যে মোট করোনা টেস্ট হয়েছে ৫ হাজার ৪৫ জনের। রাজ্যের মোট ৫৮২টি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে এই মুহূর্তে রয়েছেন ১৩ হাজার ৫৬০ জন। 

অন্যদিকে, রবিবার বিকেলেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের  আপডেট বলছে, রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩১০ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। ফলে কেন্দ্রের হিসেব অনুযায়ী এ রাজ্যে করোনা অ্যাকটিভ হওয়ার কথা ২৩৬ জনের।

সংক্রমণ ছড়াতে পারে, ডিউটির সাতদিন বাড়ি যেতে পারবেন না সরকারি চিকিৎসকরা.

এদিকে রাজ্য় সরকারের নির্দেশিকা অনুয়ায়ী, করোনা পরীক্ষায় শুরু হতে চলেছে র‌্যাপিড টেস্ট। সংক্রমণ বেশি ছড়িয়েছে এমন এলাকাতেই র‌্যাপিড টেস্ট হবে বলেই জানা গিয়েছে। তবে তা কোনওভাবেই রাজ্য় স্বাস্থ্য় দফতরের অনুমতি ছাড়া করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়। মূলত, টেস্টিং কিট বাঁচাতেই এই লাগাতার পরীক্ষা পদ্ধতি  সাহায্য় নিচ্ছে স্বাস্থ্য় দফতর। 

লকডাউনে ছবি দেখে শিউরে উঠবেন আপনি, নিউটাউনের মাছ বাজারে 'শুধুই মাথা'..

জানা গিয়েছে, রাজ্য়ের ২৮টি জেলার ১৪টি মেডিক্যাল কলেজকে এই র‌্যাপিড টেস্টের স্থান হিসাবে চিহ্ণিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য় ভবন সূত্রে খবর, টেস্ট হলেই সঙ্গে সঙ্গে জানানো হবে না রোগীকে। মূলত,  আতঙ্ক না ছড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। মূলত হটস্পট এলাকায় যাঁদের মধ্যে সামান্যও উপসর্গ মিলবে, তাঁদেরই এই র‍্যাপিড টেষ্ট হবে। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ১৭ তারিখে আইসিএমআর-এর জারি করা নির্দেশ অনুযায়ীই এই টেস্ট করা হবে।