সম্প্রতি শহরে  বই প্রকাশ করলেন অভীক চন্দ। তাঁর লেখা বই এর নাম 'দারা সুকো'। সেখানে যেমন উপস্থিত ছিলেন অসংখ্য় পাঠক, পাশাপাশি লেখকের বন্ধুরাও।  আর সেখানেই মন খুললেন অভীক চন্দ, আমাদের সংবাদমাধ্য়মের কাছে। 

আরও পড়ুন, সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের গুদামঘরে মিলল ২০০ বছরের পুরনো সিন্দুক, ভাঙা হতেই মিলল মেডেল

 

 

লেখক অভীক চন্দ কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্য়ালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র। তিনি দিল্লি স্কুল অফ ইকোনমিক্স থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর, বিজনেস অ্য়াডভাইজার হিসেবে কাজ করেন তিনি।  'দারা সুকো' কে নিয়ে তাঁর লেখা ইচ্ছে বহুদিনের। তারপর বছর আড়াই আগে তিনি এই বইটা লেখার সিদ্ধান্ত নেন। ঔরঙ্গজেবের কিংবা শাজাহানের সম্বন্ধে পড়তে গিয়ে 'দারা সুকো'-র কিঞ্চিত ধারণা পাওয়া যায়। কিন্তু তাকে নিয়ে এখনও অবধি কোনও বায়োপিক বা কোনও বই সেভাবে তৈরি হয়নি। বলাযায় তিনি এতদিন ব্রাত্য়ই ছিলেন। তাঁকে হাত  ধরে সবার সঙ্গে পরিচয় করাতে প্রথম পদক্ষেপ অভীক চন্দ-ই নিলেন।  

 

আরও পড়ুন, মারণ রোগ কেড়েছে প্রিয়জনদের, ক্যানসার রোগীদের পাশে দাড়াতে ন্যাড়া হলেন সৌমিতা

'দারা সুকো', নিজেই সাড়ে তিনশো বছর আগে বহু গ্রন্থ লিখে গেছেন। তার মধ্য়ে অন্য়তম আরবি-ফারসি ভাষায় লেখা 'মাজমা উল ব্য়হেরে'। যার বাংলা মানে করলে দাড়ায় 'সমুদ্র-সঙ্গম'। 'দারা সুকো', সেখানে দুটি সমুদ্রের কথা বলে গেছেন। মূলত সেগুলি দুটি ধর্ম। একটি হচ্ছে হিন্দু  এবং অপরটি মুসলিম ধর্ম। লেখক অভীক চন্দ জানালেন,  'দারা সুকো'-র এই চিন্তাভাবনার কাছে এখনও কিন্তু তাঁরা কেউ পৌছোতে পারেননি। সেই সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সমকালীন সময়ে দাড়িয়ে এখনও প্রযোজ্য়। সময় বদলালেও পরিস্থিতি বদলায়নি। আজকের দিনে দাড়িয়ে দারা সুখো-র মতামত যথেষ্টই গুরুত্বপূ্র্ণ। তাই 'দারা সুকো'-র  চিন্তাভাবনাকে তুলে ধরার মধ্য়ে দিয়েই সবার সঙ্গে পরিচয় করাতে চান লেখক। তাই অভীক চন্দ-র হাত ধরেই 'দারা সুকো' টেনে নিয়ে যাবে পাঠককে, সাড়ে তিনশো বছর পিছনে। আরও গভীরে,শিকড়ে।