শীতকালেও চুলের স্বাভাবিক রোধ বাড়ানো সম্ভব। আমলকি ও কারিপাতা একই সঙ্গে ব্যবহার করলে নাকি চুলের জন্য ভীষণ কার্যকারী হয়ে ওঠে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক, এই দুটো ঘরোয়া উপাদান কীভাবে ব্যবহার করলে তা কার্যকরী হবে।
চুল পড়া কমাতে আমলকি ও কারিপাতার টোটকা দারুণ কার্যকর।কারণ আমলকিতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের গোড়া মজবুত করে এবং কারিপাতার খনিজ উপাদান চুলের ফলিকলে পুষ্টি জোগায় যা চুল পড়া রোধ করে ও ঘন করে।এক্ষেত্রে একটি হেয়ার মাস্ক বা তেল ব্যবহার করা যেতে পারে, যেখানে আমলকি, কারিপাতা ও দই বা নারকেল তেলের মিশ্রণ চুলকে গভীরভাবে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে।
আমলকি ও কারিপাতার উপকারিতা:
* আমলকি: ভিটামিন সি-তে ভরপুর, যা কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে।চুলের গোড়া মজবুত করে, খুশকি কমায় এবং অল্প বয়সে চুল পাকা রোধ করে।
* কারিপাতা: আয়রন, ভিটামিন ও ফসফরাস সমৃদ্ধ, যা চুলের ফলিকলকে পুষ্টি দেয়, চুলের ঘনত্ব বাড়ায় এবং অকালে চুল পাকা রোধে সাহায্য করে।
ঘরোয়া টোটকা (হেয়ার মাস্ক)
উপকরণ:
২ টেবিল চামচ কারিপাতার গুঁড়ো, আমলকির গুঁড়ো, ভেটিভার পাউডার (ঐচ্ছিক), ৩-৪ টেবিল চামচ টক দই।২. প্রস্তুত প্রণালী: সব গুঁড়ো ও দই মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।৩. ব্যবহার: এই মাস্কটি মাথার ত্বক ও চুলে ভালো করে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন এবং কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।
আরেকটি উপায় (তেল)
* নারকেল তেলের সাথে কারিপাতা ও আমলকি গুঁড়ো মিশিয়ে হালকা গরম করে ঠান্ডা করুন। এই তেল সপ্তাহে ২-৩ বার চুলে ম্যাসাজ করুন।
যে বিষয়গুলো মনে রাখবেন:
* ধারাবাহিকতা: ভালো ফল পেতে নিয়মিত ব্যবহার করা জরুরি।
* পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কারি পাতার প্রতি সংবেদনশীলতা থাকলে প্যাচ টেস্ট করুন।
* বিশেষ সতর্কতা: যদি কোনো গুরুতর সমস্যা থাকে, তবে ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
এই ঘরোয়া টোটকাগুলি চুলের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।


