চুলের যত্নে গতানুগতিক পদ্ধতির বাইরে সেই সব কিছু আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত উপায় এ কালের প্রজন্মের মধ্যে জনপ্রিয়ও। চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে তেমনই তিনটি পদ্ধতি জেনে নিন।

যুগের প্রয়োজন বুঝে তাই চুলের যত্ন নেওয়ারও নানা আধুনিক উপায় বেরিয়েছে। চুলের যত্নে গতানুগতিক পদ্ধতির বাইরে সেই সব কিছু আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত উপায় এ কালের প্রজন্মের মধ্যে জনপ্রিয়ও। চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে তেমনই তিনটি পদ্ধতি জেনে নিন।

পুরনো তেল বা ঘরোয়া প্যাকের বদলে আধুনিক জীবনযাত্রায় চুলের যত্নে প্রয়োজন বিজ্ঞানসম্মত ও দ্রুত কার্যকরী পদ্ধতি।

সে বিষয়ে সেরা তিনটি আধুনিক পন্থা হলো—

১. বন্ড রিপেয়ার (Bond Repair) ট্রিটমেন্ট

২. স্ক্যাল্প সিরাম ও এক্সফোলিয়েশন

৩. কাস্টমাইজড লিভ-ইন কন্ডিশনার। এগুলো চুলের প্রোটিন গঠন ঠিক করে ও গভীরে পুষ্টি জোগায়।

নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. বন্ড রিপেয়ার (Bond Repair) ট্রিটমেন্ট

রং করা, হিট স্টাইলিং বা কেমিক্যালের কারণে চুলের ভেতরকার প্রোটিন বন্ধন (Bond) ভেঙে যায়, ফলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। সাধারণ কন্ডিশনার তা মেরামত করতে পারে না।

* কেন আধুনিক: এটি চুলের অভ্যন্তরীণ কাঠামো ঠিক করে।

* ব্যবহার: বাড়িতেই ভালো মানের বন্ড রিপেয়ার সিরাম বা হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন, যা চুলের স্বাস্থ্য দ্রুত পুনরুদ্ধার করে।

২. স্ক্যাল্প এক্সফোলিয়েশন ও সিরাম

ত্বকের মতোই স্ক্যাল্পের নিয়মিত যত্নের প্রয়োজন। মৃত কোষ জমে চুল পড়া ও খুশকি বাড়ে।

* কেন আধুনিক: স্ক্যাল্প সিরাম বা এক্সফোলিয়েটর চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় ও পুষ্টির জোগান নিশ্চিত করে।

* ব্যবহার: সপ্তাহে একদিন স্ক্যাল্প স্ক্রাব এবং রোজমেরি বা অ্যালোভেরা সমৃদ্ধ স্ক্যাল্প সিরাম ব্যবহার করুন।

৩. লিভ-ইন কন্ডিশনার ও হেয়ার সিরাম

শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার ধুয়ে ফেলার পরিবর্তে 'লিভ-ইন' (Leave-in) কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এটি চুলে দীর্ঘক্ষণ আর্দ্রতা ধরে রাখে।

* কেন আধুনিক: এটি চুলকে সারাদিন নরম, মসৃণ ও জটহীন রাখে।

* ব্যবহার: চুল ধোয়ার পর ভেজা চুলে হালকা লিভ-ইন কন্ডিশনার বা হেয়ার সিরাম লাগান। খুশকি থাকলে আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করতে পারেন।

বিশেষ টিপস: চুলের যত্নে হিট স্টাইলিং বা রাসায়নিক ব্যবহার কমান। এছাড়াও, রাতে ঘুমানোর আগে নারকেল তেল, ক্যাস্টর অয়েল এবং রোজমেরি অয়েলের মিশ্রণ ব্যবহার করলে চুলের বৃদ্ধি দ্রুত হয়।