হাইলুরনিক অ্যাসিড ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে বার্ধক্যের ছাপ কমাতে সাহায্য করে। সেরা ফল পেতে, এটি সর্বদা ভেজা ত্বকে প্রয়োগ করা উচিত এবং এরপর একটি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে আর্দ্রতা লক-ইন করা আবশ্যক। 

আর্দ্রতার অভাবে ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে। আর ত্বকে সেই আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে হাইলুরনিক অ্যাসিড । এটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। তবে এটি ব্যবহারের সঠিক নিয়ম না জানলে উল্টো ফল হতে পারে।

ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে তারুণ্য বজায় রাখতে হাইলুরনিক অ্যাসিড (Hyaluronic Acid/HA) একটি দারুণ উপাদান। এটি নিজের ওজনের ১০০০ গুণ জল ধরে রাখতে পারে। সেরা ফলাফলের জন্য এটি সবসময় ভেজা বা হালকা আর্দ্র ত্বকে লাগান। এরপর একটি ভালো ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করে জল আটকে রাখুন (Lock-in) এবং দিনে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

হাইলুরনিক অ্যাসিড ব্যবহারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলী:

* ভেজা ত্বকে প্রয়োগ: মুখ ধোয়ার পর ত্বক হালকা ভেজা থাকা অবস্থায় সিরাম লাগান। শুকনো ত্বকে লাগালে এটি ত্বকের ভেতর থেকে জল টেনে নিয়ে ত্বককে আরও শুষ্ক করে দিতে পারে।

* ময়শ্চারাইজার আবশ্যক: সিরাম লাগানোর পর অবশ্যই একটি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এটি হাইড্রেশন দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে সাহায্য করে।

* ব্যবহারের ক্রম (Order): প্রথমে ফেসওয়াশ, তারপর টোনার, এরপর হাইলুরনিক অ্যাসিড সিরাম, এবং শেষে ময়শ্চারাইজার লাগাতে হয়।

* দিনের বেলা সানস্ক্রিন: দিনে ব্যবহার করলে হাইলুরনিক অ্যাসিডের ওপর সানস্ক্রিন লাগানো অপরিহার্য।

* সঠিক ঘনত্ব: কম আণবিক ওজনের (Low molecular weight) সিরাম ত্বকের গভীরে গিয়ে বলিরেখা কমাতে বেশি কার্যকর।

ত্বকে হাইলুরনিক অ্যসিডের উপকারিতা: এটি ত্বকে গভীর আর্দ্রতা যোগায়, সূক্ষ্ম রেখা (Fine lines) কমায়, ত্বককে টানটান ও মসৃণ করে এবং ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। এটি সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী।

হাইলুরনিক অ্যাসিড ব্যবহারের সময় যা যা মনে রাখবেন—

১। মৃদু ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন।

২। তোয়ালে দিয়ে ঘষে না মুছে মুখ হালকা ভেজা রাখুন।

৩। ২-৩ ফোঁটা হাইলুরনিক অ্যাসিড সিরাম আলতো করে মেখে নিন।

৪। দ্রুত একটি ময়েশ্চারাইজার বা ফেস অয়েল মেখে নিন।