শরতের মেঘলা আকাশ, শিউলি ফুলের গন্ধ। জানন দিচ্ছে "মা" আসছে। সেই মত শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর প্রস্তুতি পর্বও। যার সূচনা হয় এই গণেশ পুজো থেকে। সারা দেশ জুড়ে মহা ধুমধামের সঙ্গে পালিত হচ্ছে পার্বতী নন্দন গণেশের পুজো। আর গণেশ পুজোয় লাড্ডু থাকবেনা তা কী হয়। পুজো থেকে শুরু করে অতিথি আপ্যায়ণ বা মুখ বদলের জন্য এই মিষ্টি পদটির জুড়ি মেলা ভার। তাই আজ গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে দেখে নেওয়া যাক গণেশ প্রিয় কয়েকটি লাড্ডুর সহজ রেসিপি- 

মতিচুরের লাড্ডুর রেসিপি-

এই লাড্ডু তৈরির করতে লাগবে 

১ কাপ বেসন
১ চা চামচ বেকিং পাউডার
হাফ কাপ  জল
পরিমান মত তেল
১ কাপ চিনি
হাফ কাপ ড্রাই ফ্রুট কুঁচি
সামান্য় ঘি

আরও দেখুন- মোদকই গণেশের প্রিয় মিষ্টি, গণেশ চতুর্থীতে এই মোদকগুলি আপনাকে চেখে দেখতেই হবে

যেভাবে বানাবেন-

প্রথমে বেসন ও বেকিং পাউডার একসঙ্গে জলে মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করে একঘন্টা রেখে দিন।  এরপর একটি পাত্রে তেল গরম করে ব্যাটার দিয়ে ঝাঁঝরির সাহায্যে বুন্দিয়ার মতো করে ভেজে নিতে হবে। এরপর সমস্ত ব্যাটার দিয়ে বুন্দিয়া তৈরি করে নিয়ে এরসঙ্গে সমস্ত ড্রাই ফ্রুট কুঁচি মিশিয়ে নিন। চিনি দিয়ে ঘন সিরাপ তৈরি করে নিন। এই সিরার মধ্যে বুন্দিয়াগুলি দিয়ে মিশিয়ে নিন। এরপর হালকা গরম থাকা অবস্থায় হাতে ঘি মাখিয়ে লাড্ডুর আকারে গড়ে নিন। তৈরি গণেশের প্রিয় মতিচুরের লাড্ডু।

বেসনের লাড্ডু বানাতে লাগবে-

১ কাপ বেসন
১ চা চামচ বেকিং পাউডার
পরিমান মত সাদা তেল
দেড় কাপ চিনি
১ চা চামচ এলাচ গুঁড়ো
সামান্য় ঘি

যেভাবে বানাবেন-

প্রথমে চিনি দিয়ে সিরা তৈরি করে ঠাণ্ডা হতে দিন। অন্য একটি পাত্রে জল দিয়ে বেসন গুলিয়ে নিন। খুব ভালো করে বেসন ফেটিয়ে নিন যাতে কোনও দানা না থাকে। এরপর এই ব্যাটার দিয়ে ছাঁকা তেলে ভেজে বুন্দিয়া তৈরি করে নিন।  সিরার মধ্যে বুন্দিয়াগুলি দিয়ে মিশিয়ে নিন। এরপর হালকা গরম থাকা অবস্থায় হাতে ঘি মাখিয়ে লাড্ডুর আকারে গড়ে নিন। এভাবেই সহজে তৈরি করে 

গাজরের লাড্ডু বানাতে লাগবে-

১ বাটি গাজর কুঁচি
২ কাপ চিনি
১ লিটার দুধ 
৩-৪ টে এলাচ
১ চা চামচ দারচিনি গুঁড়ো
পরিমান মত কাজু ও কিশমিশ
৩-৪ টেবল চামচ ঘি
হাফ কাপ খোয়া ক্ষীর

যে ভাবে বানাবেন-

দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিন। এরপরে দুধের মধ্যে গাজর কুঁচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। মনে রাখবেন পুরোটাই তৈরি হয়ে মাঝারি আঁচে। গাজর নরম হয়ে এলে এরসঙ্গে একে একে এলাচ, দারচিনি গুঁড়ো, চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরমধ্যে দুধ ঘন হয়ে শুকিয়ে এলে উপর থেকে ঘি, খোয়া ক্ষীর ও কাজু ও কিশমিশ দিয়ে মিশিয়ে দিন। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন কোনওভাবেই পাত্রের নীচে লেগে না যায়। তাহলে পুরও মিশ্রণের থেকে পোড়া গন্ধ থেকে যাবে। মিশ্রণটি হালকা সোনালি রং ধরলেই নামিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন। এরপর লাড্ডুর আকারে গড়ে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন গাজরের লাড্ডু।