যাঁরা ভাবেন বৃষ্টিতে ভিজে এসে একটু আদা দিয়ে চা খেয়ে নিলে ঠান্ডা লাগার হাত থেকে রেহাই পেতে পারেন, তাঁরা কিন্তু একদম ভুল ভাবেন না। শুধু বহু বছরে ধারণাই নয়, এর বিজ্ঞানসম্মত কারণও রয়েছে। 

আদা গুণ বলে শেষ করা যাবে না। আদাকে বলা হয় ক্য়ানসার প্রতিরোধী, টিউমার প্রতিরোধী। এর গন্ধ অপ্রতিরোধ্য়। রান্নায় লাগে। হজমের সমস্য়ায় কাজে দেয়। প্রদাহে কাজে দেয়। সন্তানসম্ভবা মহিলাদের মর্নিং সিকনেসে কাজে দেয়। গা-গুলোনো বা বমিবমি ভাব আর মাথাঘোরায় কাজে দেয়। ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়। ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে। বলা হয়, প্রতিদিন দুগ্রাম আদার গুঁড়ো খেলেই ১২ শতাংশ সুগার লেভেল কমে। আদায় থাকে জিঞ্জারোল। যাতে প্রদাহ প্রতিরোধী উপাদান থাকে। গাঁটে ব্য়থাতেও কাজে দেয়। অস্টিওআর্থারাইটিসে কাজে দেয়। রিউমাটয়েড আর্থারাইটিসেও কাজে দেয়।হাড়ের ব্য়থা কমায় আর গতিশীলতা বাড়ায়। কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টের অসুখ থেকে বাঁচায়। ফাঙ্গাল ও ব্য়াকটেরিয়াল ইনফেকশন প্রতিরোধ করে। অনেক সময়ে অ্য়ান্টিবায়োটিকের কাজ করে। মুখ ও দাঁত পরিষ্কার ও স্বাস্থ্য়কর  রাখতে সাহায্য় করে।  মুখের ব্য়াকটেরিয়া মেরে মাড়ি আর দাঁতের রোগ প্রতিরোধ করে।বুকজ্বালা, আলসার আর হজমের সমস্য়ায় দারুণ কাজে দেয় আদা। দীর্ঘদিনের হজমের সমস্য়ায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁরা নিয়মিত আদা খেয়ে দেখতে পারেন। নাক ও বুকে শর্দিজমায় কাজে দেয় আদা। একে ন্য়াচারাল এক্সপেকটোরেন্ট বলা হয়। শর্দিকাশিতে সত্য়িই খুব কাজে দেয়। শুধু তাই নয়।  স্মৃতি শক্তি বাড়িয়ে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতেও ম্য়াজিকের মতো কাজ করে আদা।