শীতকালে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য একটি হালকা, ফোমিং ক্লিনজার এবং জেল-ভিত্তিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা জরুরি। পোরস বন্ধ হওয়া এড়াতে এবং ব্রণ প্রতিরোধ করতে তেল-মুক্ত, নন-কমেডোজেনিক সানস্ক্রিন ও অন্যান্য পণ্য বেছে নিন।
দিনের বেলায় ঠান্ডা আবহাওয়া আর বেলা বাড়লেই গরম। এত অদ্ভুত পরিবেশ বাংলা জুড়ে। রতের দিকে আবার ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে সর্বত্র। এই সময় সারাক্ষণই শুষ্ক ভাব দেখা যাচ্ছে ত্বকে। আবার কারও ত্বক তৈলাক্ত হয়ে আছে। আজ রইল বিশেষ টিপস। শীতকালে তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা কী টিপস মেনে চলবেন জেনে নিন।
ত্বকের স্বাভাবিক তেল না সরিয়ে অতিরিক্ত তেল দূর করতে একটি হালকা, ফোমিং ক্লিনজার ব্যবহার করুন। শীতে কঠোর স্ক্রাব তৈলাক্ত ত্বককে শুষ্ক করে তুলতে পারে এবং তেল উৎপাদন বাড়িয়ে দিতে পারে।
তৈলাক্ত ত্বকেরও হাইড্রেশন প্রয়োজন — একটি জেল-ভিত্তিক বা হালকা ফর্মুলা বেছে নিন। এগুলি পোরস বন্ধ না করে বা উজ্জ্বলতা না বাড়িয়ে আর্দ্রতা জোগায়।
সানস্ক্রিন শুধু গরমের জন্য নয় — শীতের বরফ থেকেও ইউভি রশ্মি প্রতিফলিত হয়। ত্বক রক্ষা করতে এবং ব্রণ প্রতিরোধ করতে একটি তেল-মুক্ত, নন-কমেডোজেনিক এসপিএফ প্রয়োগ করুন।
পোরস বন্ধ হওয়া এড়াতে লেবেলে “নন-কমেডোজেনিক” লেখা দেখে কিনুন। ব্রণর সমস্যা না বাড়িয়ে ত্বককে হাইড্রেট করার জন্য ডিজাইন করা পণ্য বেছে নিন।
মৃদু এক্সফোলিয়েশন মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বকের নিস্তেজ ভাব প্রতিরোধ করে। অতিরিক্ত এক্সফোলিয়েশন ত্বকের বাধা দুর্বল করতে পারে, তাই সপ্তাহে একবার বা দুবার এটি সীমিত রাখুন।
ত্বকের ভারসাম্য বজায় রাখতে সারাদিন জল পান করুন। অভ্যন্তরীণ হাইড্রেশন অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ত্বকের স্বাভাবিক মেরামত প্রক্রিয়াকে সমর্থন করতে সাহায্য করে।
ভারী ক্রিম তেল আটকে রাখতে পারে এবং ব্রণের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে। হালকা বিকল্প বেছে নিন যা ত্বককে মসৃণ করে কিন্তু শ্বাসরুদ্ধ করে না।


