গ্রিন চিলি বা কাঁচালঙ্কার পুষ্টিগুণ অনেক।  ১০০ গ্রাম কাঁচালঙ্কায় পাওয়া ৪০ ক্য়ালোরি। টোটাল ফ্য়াট ০.২ গ্রাম,  সোডিয়াম ৭ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ৩৪০ মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৯ গ্রাম, প্রোটিন  ২ গ্রাম, ভিটামিন-এ ২ গ্রাম। থাকে ক্য়ালশিয়ামও। ভিটামিন-সি থাকে ৪০৪ শতাংশ। আয়রন ৬ শতাংশ। ভিটামিন-বি-৬ থাকে ১৫ শতাংশ। ম্য়াগনেশিয়াম ৬ শতাংশ। অ্য়ান্টি ব্য়াকটেরিয়াল উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকে কাঁচালঙ্কাতে। অ্য়াকনে ও ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণ কমাতে সাহায্য় করে। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য় বাড়াতে সাহায্য় করে কাঁচালঙ্কায় থাকা ভিটামিন-সি।

লঙ্কাকে ঠান্ডা ও অন্ধকার জায়গায় রাখা উচিত। না-হলে তাপ ও আলোর সংস্পর্শে এর ভিটামিন-সি নষ্ট হয়ে যায়। কাঁচালঙ্কাতে থাকে ভাল পরিমাণে ফাইবার। যা ডায়েজেসটিভ হেলথকে চাঙ্গা করে। বাওয়েল মুভমেন্টেও সাহায্য় করে। তবে যাঁরা পেপটিক আলসারে ভুগছেন, তাঁদের কাঁচালঙ্কা থেকে দূরে থাকাই ভাল।

কাঁচালঙ্কার মধ্য়ে থাকা থার্মোজেনিক উপাদান থাকে। যার ফলে মেটাবলিক রেট বেড়ে শরীরের বাড়তি মেদ ঝরে যায়।

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য় কাঁচালঙ্কা খুবই ভাল। কারণ, এটি ব্লাড সুগারকে সঠিক মাত্রায় রাখতে সাহায্য় করে। কাঁচালঙ্কায় থাকে ভাল পরিমাণে অ্য়ান্ট অক্সিডেন্ট, যা বিভিন্ন ক্য়ানসার সেলের বাড়়বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য় করে। এটি কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য় করে। সেইজন্য় কাঁচালঙ্কা অ্য়াথেরোস্কেলেরোসিস প্রতিরোধ করে।

এর ফাইব্রিনোলাইটিক গুণাবলীর জন্য় রক্তজমাট বাঁধাকে প্রতিরোধ করে। যা হার্ট অ্য়াটাকের সময়ে হয়ে থাকে। কাজেই কাঁচালঙ্কা হার্টের পক্ষে উপকারী। শর্দিকাশি ও ঠান্ডালাগা থেকেও রক্ষা করে কাঁচালঙ্কায় থাকা ক্য়াপসাইসিন।  কাঁচালঙ্কাতে এনডরফিরনস ক্ষরণে সাহায্য় করে। যা আমাদের মুড সুইংকে নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্য়ে থাকা ভিটামিন-কে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমায়। কাঁচালঙ্কাতে থাকা ভিটামিন-সি ও বিটাক্য়ারোটিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সঙ্গেসঙ্গে চোখের  স্বাস্থ্যরক্ষা করে।