কার্লোস তাভারেস পেলেন নতুন স্বীকৃতি- '২০২০ ওয়ার্ল্ড কার পারসন অফ দি ইয়ার'। তাঁকে অটোমোবাইল ইন্ড্রাস্ট্রির তাবড় তাবড়এক্সকিউটিভ, ইঞ্জিনিয়ার, ডিজাইনার ও ব্যবসায়ীরা নির্বাচিত করেছেন গোপন ব্যালটে। ২০০৩ সালে সূচনা হয়েছিল এই সম্মান প্রদানের, আনুষ্ঠানিকভাবে এটি শুরু হয় ২০০৪ সাল থেকে।  মোট ৬টি বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়ে থাকে- ওয়ার্ল্ড কার পারসন অফ দি ইয়ার, ওয়ার্ল্ড কার অফ দি ইয়ার, ওয়ার্ল্ড আরবান কার, ওয়ার্ল্ড লাক্সারি কার, ওয়ার্ল্ড পারফরম্যান্স কার, ওয়ার্ল্ড কার ডিজাইন অফ দি ইয়ার।

প্রায় ২৪টি দেশের ৮৬ জন ওয়ার্লড কার অ্যাওয়ার্ড জুরি সদস্যরা একসঙ্গে নির্বাচিত করেছেন কার্লোসকে। এই সম্মান পুরস্কারটি তুলে দেওয়া হবে গ্রুপ পিএসএ সিইও-এর হাতে নিউ ইয়র্কের আন্তর্জাতিক অটো শো-এর অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানটি সংঘটিত হবে এপ্রিল মাসের ৮ তারিখে।
 তাভারেস এই সম্মান উৎসর্গ করতে চান তার সংস্থার সমস্ত সহকর্মী, দায়িত্ববোধসম্পন্ন সোশাল পার্টনার এবং সুপারভাইসারি বোর্ডকে যারা এই সংস্থার  কার্যকরি পরিচালনাকে সুনিশ্চিত করেছে দৃঢ়তার সঙ্গে। কার্লোস তাভারেস মনে করিয়ে দিয়েছেন গ্রুপ পিএসএ -এর মূল মন্ত্র হল একসঙ্গে চলা ও জয়লাভ করা। " একসঙ্গে জয়লাভ করা, দ্রুততা, দক্ষতা" এই মন্ত্র নিয়েই চলে গ্রুপ পিএসএ। তাই কার্লোস মনে করেন এই সম্মানের হকদার সকলে। তার সংস্থাকে ও সহযোগী সংস্থা ওপেল-এর এখনকার যে লাভজনক অবস্থান তার পিছনে তাভারেসের অবদান অনস্বীকার্য।  পিএসএ ও এফসিএ সংস্থার এক হয়ে যাওয়ার ঘটনার মূল কান্ডারি তিনি।
তাভারেসের শান্ত, মার্জিত, বিনয়ী মনোভাব ও নিপুণ হাতে সামলে নেওয়ার ক্ষমতা অন্য যেকোনও এক্সিকিউটিভের শেখা উচিত বলেই মনে করেন অনেকেই। ক্রেতার চাহিদা কে বুঝে নিয়ে নিজের ক্ষুরধার ব্যবসায়িক বুদ্ধিতে ভর করে সেই চাহিদা পূরণ করতে জানেন কার্লোস তাভারেস।