২০২৫ সালে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গ্রহণ করুন এবং রোগকে বিদায় জানান। সুষম খাদ্য, হালকা ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং সামাজিক সম্পর্ক বজায় রেখে আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

২০২৫ সাল আসার সাথে সাথেই যেমন আপনার বাড়ির ক্যালেন্ডার বদলে যায়। ঠিক তেমনই আপনি আপনার কিছু অভ্যাস সংশোধন করে রোগ দূর করতে পারেন। এই বছর ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগের কারণে অনেকে প্রাণ হারিয়েছেন। আসুন জেনে নিই ২০২৫ সালে কোন নতুন অভ্যাস আপনাকে বড় বড় রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

নতুন বছরে সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন

২০১৮ সালে দ্য ল্যানসেটে প্রকাশিত একটি গবেষণায় জানা গেছে, বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর প্রায় ১১ মিলিয়ন মানুষ ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে প্রাণ হারান। খাবারে অতিরিক্ত নুন, চিনি, প্রক্রিয়াজাত খাবারের ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত। হার্ভার্ড টিএইচ চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথের অধ্যাপক ডক্টর ওয়াল্টার জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি, ফলমূল, শস্য এবং বাদাম খেলে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। সাথে শরীরের প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে। এর ফলে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়।

হালকা ব্যায়াম দিয়ে শুরু করুন

জেএএমএ ইন্টারনাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, সপ্তাহে ১৫০ মিনিট মাঝারি শারীরিক কার্যকলাপ আপনার জীবন ৩.৪ বছর পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে। যদি আপনি আজ অবধি ব্যায়াম না করে থাকেন, তাহলে আপনি প্রতিদিন হাঁটা, সাইকেল চালানো, যোগব্যায়ামের মতো হালকা ব্যায়াম দিয়ে শুরু করতে পারেন। এতে শুধু পেশীর নমনীয়তা বাড়বে না, শরীরও ফিট থাকবে। সাথে ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকিও কমবে।

ভালো ঘুম বাড়াবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

আজকালকার জীবনযাত্রায় ৭ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমানো অনেক বড় কথা হয়ে গিয়েছে। মানুষ ৪ থেকে ৫ ঘন্টা ঘুমায় যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের সাথে শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। ৭ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমালে কেবল দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকিই কমে না, মস্তিষ্কও বিষমুক্ত হয়। সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

সামাজিক সম্পর্ক বাড়াবে আয়ু

পারস্পেক্টিভস অন সাইকোলজিক্যাল সায়েন্সে ২০১৫ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, একাকীত্ব মৃত্যুর ঝুঁকি ২৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। আপনার ভালো সামাজিক সম্পর্ক কেবল মানসিক চাপই কমায় না, দীর্ঘজীবী হতেও সাহায্য করে। যারা সমাজ-পরিবারের সাথে মিলেমিশে থাকেন, তাদের মধ্যে বিষণ্ণতার সম্ভাবনা কমে যায়।