দক্ষিণবঙ্গে কাঠফাটা গরম। তাই বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে দিঘা পুরী দার্জিলিং বাদ দিন। একটু অচেনা এলাকা ঘুরে দেখতে হলে চলে যান পশ্চিম সিকিমের হি বারমিওকে। যাঁরা নির্জন পাহাড় ভালোবাসেন তাঁদের জন্য আদর্শ হল পশ্চিম সিকিমের দুই গ্রান হি ও বারমিওক। 

এই এলাকায় পাহাড়ের গা বেয়েই তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রাম। পেলিং থেকে এই এলাকা খুবই কাছে। পাহাড় ঘেরা এই গ্রামগুলিতেই  রয়েছে পর্যকটদের থাকার জন্য বেশ কিছু হোটেল ও হোমস্টে। 

কী কী দেখবেন  হি বারমিওকে-

এখানে রয়েছে সিরজিওনা ঝরনা। বারমিওক বাজার থেকে এক ঘণ্টার রাস্তা হাঁটলেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই ঝরনা। এখানে পর্যটকদের মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ হল সিরজিওনা ঝরনা। এছাড়া এখান থেকে পরিষ্কার ভাবে কাঞ্চনঝঙ্ঘা দেখা যায়। কিন্তু আকাশে মেঘ জমে থাকলে সেই সৌভাগ্য আর হয় না। 

এছাড়াও পর্যটকদের জন্য রয়েছে ছায়া তাল লেক। পর্যটকরা যাতে বোটিং করতে পারেন তার জন্য় রয়েছে হি ক্যাংবাড়িতে বিশেষ সুবিধা। হি গ্রামের কাছেই রয়েছে একটি ওয়াটার পার্কও। এছাড়া পাহাড় ঘেরা এই গ্রামে রয়েছে নানা রকমের পাহাড়ি ফুল। যাতায়াত রয়েছে নানা রকমের পাখিরও। হোটেলের বারান্দায় সন্ধে বেলা দাঁড়ালেও মনে হয় তারায় ভরা মহাকাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। কাছে রয়েছে ছাঙ্গে ফলস।

এখানে মাউন্টেন বাইকিং-এর ব্যবস্থাও রয়েছে। যাঁরা রোমাঞ্চ ভালোবাসেন তাঁরা ট্রেকও করতে পারেন। মে মাসে এই গ্রামগুলিতে টুরিস্ট ফেস্টিভালের ব্যবস্থা করে হি বারমিওক পর্যটন দফতর। তবে মনে রাখবেন সিকিম খুব পরিষ্কার রাজ্য। প্লাস্টিক নিষিদ্ধ এখানে। তাই যেখানে সেখানে যা খুশি ফেলবেন না। 

কী ভাবে যাবেন হি বারমিওক

- প্রথমে গ্য়াংটকে গিয়ে সেখান থেকে যেতে পারেন। চার ঘণ্টা লাগবে। 

- এছাড়া নিউ জলপাইগুড়ি বা বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকেও গাড়িতে করে যেতে পারেন। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে এর দূরত্ব ১৫০ কিলোমিটার 

- পেলিং থেকেও দেড় ঘণ্টায় পৌঁছতে পারবেন হি বেরমিওক 


কোথায় থাকবেন- 

এখানে সাইলেন্ট ভ্যালি, কালেজ  ভ্যালির মতো কিছু হোটেলে থাকতে পারেন। তবে পাহাড়ে গিয়ে হোম স্টে-তে থাকার মজাই আলাদা। হোটেল আগে থেকে অনলাইনে বুক করে যান।