পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বড় উল্কাপিন্ড  ৬ জুন এই উল্কাপিন্ডটি পৃথিবীর কক্ষপথে ঢুকে পড়বে উল্কাপিন্ডের গতি  প্রতি সেকেন্ডে ৫.২ কিমি অর্থাৎ ১১,২০০ মাইল প্রতি ঘন্টায় পৃথিবীর খুব কাছ থেকেই যাবে এই উল্কাপিন্ড 

একের পর এক নয়া আতঙ্ক। যত দিন যাচ্ছে লড়াই ক্রমশ বাড়ছে। কারণ করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও যেন হু হু করে বেড়েই চলেছে। করোনা আতঙ্কে সকলের প্রাণ ওষ্ঠাগত। আবার তার উপর পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে আধ কিলোমিটারের চেয়েও বড় একটি উল্কাপিন্ড । সূত্র থেকে জানা গেছে, পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা উল্কাপিন্ডের গতি প্রতি সেকেন্ডে ৫.২ কিমিঅর্থাৎ ১১ হাজার ২০০ মাইল প্রতি ঘন্টায়। নাসার খবর অনুযায়ী এই উল্কা পিন্ডটি আমেরিকার এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং-এর থেকেও এটি বড়। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন-দেশের আর্থিক প্রয়োজনীয়তা মেটানোর লক্ষ্যে, নয়া প্রকল্প এসবিআই-এর...

হাতে আর মাত্র কয়েকদিন। ৬ জুন এই উল্কাপিন্ডটি পৃথিবীর কক্ষপথে ঢুকে পড়বে। উল্কা পিন্ডটির নাম রক-১৬৩৩৪৮ (২০০২ এনএন৪)। নাসার গবেষণা থেকে জানা গেছে, পৃথিবীর খুব কাছ থেকেই যাবে এই উল্কাপিন্ড । এবং এই উল্কাপিন্ড ২৫০ থেকে ২৭০ মিটার দীর্ঘও হতে পারে। চওড়ায় যার মাপ ১৩৫ মিটার। নাসা মনে করছে, এই উল্কাপিন্ড সূর্যের পাশ থেকে পৃথিবীর কক্ষপথে ঢুকছে।

আরও পড়ুন-শারীরিক তৃপ্তি মেটাতে গাঢ় চুম্বনে আসক্তি, অজান্তেই শরীরে বাসা বাধছে জটিল রোগ...

গত ২১ মে তেও ১.৫ কিমি দীর্ঘ একটি উল্কাপিন্ড পৃথিবীর গা ঘেষে গেছে। ২০০০-এরও বেশি এরকম উল্কাপিন্ড রয়েছে। যেগুলি নাসা ট্র্যাক করছে। যদিও এই উল্কাপিন্ড পৃথিবীর কোনও ক্ষতি করতে পারবে না বলেই আসা করছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। তবুও এর উপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। নাসা আরও জানিয়েছে কখনও কখনও আকর্ষণ এর কারণে এই ধরনের উল্কাপিন্ড পৃথিবীর অ্যাটমোস্ফিয়ারে শেষ সময়ে প্রবেশ করে। পৃথিবীর এত কাছ দিয়ে উল্কাপিন্ড আবার ২০২৪-শে যেতে পারে বলে অনুমান করছে নাসা। তবে এত বড় উল্কা যদি পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটায় তা হলে মারত্মক ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যেমন-সুনামি, ভূমিকম্প, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে।