পুজোয় শাড়ির সঙ্গে ম্যাচ করে রোজ নতুন দুল পরতে গিয়ে কানে ব্যথা, ফোলা বা পুঁজ? বারবার দুল বদলালেই এই সমস্যা হয়। পুজোয় স্টাইল বজায় রেখে কানের ব্যথা এড়াবেন কীভাবে জেনে নিন।

পুজো মানেই সাজগোজ। আজ ঝুমকা, কাল অক্সিডাইজড, পরশু ছোট টপ। কিন্তু রোজ রোজ দুল বদলাতে গিয়েই কানে শুরু হয় চিনচিনে ব্যথা, ফোলা, কখনও আবার পুঁজ। এই সমস্যাটা পুজোর সময় অনেক মেয়েরই হয়। কিন্তু কেন হয় আর এর থেকে বাঁচার উপায়ই বা কী?

বারবার দুল বদলালে কানে ব্যথা কেন হয়?

এর প্রধান কারণ হল ফুটোর ভেতরে ঘষা লাগা। আমরা যখন বারবার দুল খুলি-পরি, তখন কানের নরম ফুটোর ভেতরের চামড়ায় ছোট ছোট ক্ষত তৈরি হয়। সেই ক্ষতে নোংরা হাত, দুলের নোংরা ডাঁটি থেকে ব্যাকটেরিয়া ঢুকে ইনফেকশন হয়। বিশেষ করে ভারী ঝুমকা বা নিকেল মেশানো সস্তা দুল পরলে অ্যালার্জি থেকেও ব্যথা হয়।

পুজোয় স্টাইল আর আরাম দুটোই কীভাবে পাবেন?

স্টাইল নষ্ট না করেও এই ৫টি টিপস মানলে কানে ব্যথা হবে না।

১. সোনা বা রুপোর ডাঁটি ব্যবহার করুন: বড় ঝুমকা বা অক্সিডাইজড দুলের ডাঁটিটা অনেক সময় নিকেলের হয়। আপনি স্যাকরার দোকান থেকে সোনা বা রুপোর একটা পাতলা ডাঁটি বানিয়ে নিন, আর যে কোনও ফ্যাশনেবল দুল সেই ডাঁটিতে পরুন। অ্যালার্জি হবে না।

২. দুল বদলানোর আগে স্যানিটাইজ করুন: দুল পরার আগে অবশ্যই হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা ডেটল দিয়ে দুলের ডাঁটি আর কানের ফুটো দুটোই মুছে নিন। রোজ দুল বদলালে এটা মাস্ট।

৩. রাতে দুল খুলে ঘুমান: সারাদিন ভারী দুল পরে রাতেও পরে থাকবেন না। রাতে খুলে রাখুন, কানের ফুটোটা হাওয়া পাবে এবং শুকিয়ে থাকবে। ইনফেকশনের চান্স কমবে।

৪. ভারী দুলের সঙ্গে সাপোর্ট: ভারী ঝুমকা সরাসরি ফুটোতে ঝোলাবেন না। কানের পেছনে ইয়ার-সাপোর্ট বা ছোট সেলোটেপ দিয়ে আটকে নিন, তাহলে কানের ফুটোতে টান পড়বে না, ব্যথাও হবে না।

৫. ব্যথা হলে কী করবেন: যদি ফুলে যায়, তাহলে ২-৩ দিন দুল পরা বন্ধ রাখুন। হালকা গরম জলে নুন দিয়ে তুলো ভিজিয়ে সেঁক দিন। বরফও দিতে পারেন। তবুও না কমলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না।