শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে কাচকি মাছের ভূমিকা বেশ উল্লেখযোগ্য। এতে থাকা প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন বি১২ ও জিঙ্ক রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
কাচকি মাছ ছোট হলেও পুষ্টিগুণে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। কাচকি মাছ হার্ট, চোখ ও হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। প্রতি ১০০ গ্রাম কাচকি মাছে প্রায় ১২–১৩ গ্রাম প্রোটিন ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ও ভিটামিন এ থাকে, যা হাড় মজবুত ও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে । কাঁটাসহ চিবিয়ে খাওয়ার ফলে এটি শিশু ও বড়দের জন্য পুষ্টির খনি হিসেবে কাজ করে।
শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে কাচকি মাছের ভূমিকা বেশ উল্লেখযোগ্য। এতে থাকা প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন বি১২ ও জিঙ্ক রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । বিশেষজ্ঞদের মতে, বেড়ে ওঠার সময় নিয়মিত ছোট মাছ খেলে হাড়, দাঁত ও মস্তিষ্কের বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
কাচকি মাছের বিস্তারিত পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা:
* হাড় ও দাঁত মজবুত করে: ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের দুর্দান্ত উৎস হওয়ায় হাড়ের ক্ষয় রোধ এবং হাড়ের মজবুত করতে সাহায্য করে।
* দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি: প্রচুর ভিটামিন 'এ' থাকায় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এটি কার্যকরী।
* রক্তাল্পতা দূর করে: এতে থাকা উচ্চমানের আয়রন রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য উপকারী
* হার্টের সুরক্ষা: অসম্পৃক্ত চর্বি (Healthy Fat) হার্ট ভালো রাখে এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়
* শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি: প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদানের কারণে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে এটি খুবই কার্যকর।
সহজ ও পুষ্টিকর রেসিপি: কাচকি মাছের চচ্চড়ি, কাঁচা পেঁয়াজ ও লঙ্কা দিয়ে মাখা অথবা তেঁতুল দিয়ে টক রান্না খুবই জনপ্রিয়। এটি চিবিয়ে খেলে শরীরের পুষ্টিগুণ পুরোপুরি পাওয়া যায়। তাই, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ছোট মাছ, বিশেষ করে কাচকি মাছ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
