রোজকার একঘেয়ে খাবারের বদলে সকালের জলখাবার বা বাচ্চাদের টিফিনের জন্য বানিয়ে ফেলুন পুষ্টিকর মিনি উত্তাপম। ইডলি বা ধোসার ব্যাটারের সঙ্গে গাজর, পেঁয়াজ, ক্যাপসিকাম মিশিয়ে খুব সহজেই এটি তৈরি করা যায়।

রোজ সকালে বা বাচ্চাদের টিফিনে একঘেয়ে খাবার না দিয়ে, এবার বানিয়ে ফেলুন পুষ্টিকর মিনি উত্তাপম। স্বাদ আর সবজির পুষ্টি— দুই-ই মিলবে এতে। ইডলি বা ধোসার ব্যাটারের সঙ্গে গাজর, পেঁয়াজ, ক্যাপসিকাম আর ধনেপাতা মিশিয়ে খুব সহজেই এটা বানানো যায়। নরম উত্তাপম, সবজির স্বাদ আর ছোট্ট সাইজ— বাচ্চা থেকে বড়, সবারই দারুণ লাগবে। নারকেলের চাটনি বা সাম্বারের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করলে স্বাদ আরও বেড়ে যায়।

মিনি পুষ্টিকর উত্তাপম বানানোর উপকরণ

ইডলি/ধোসার ব্যাটার – ২ কাপ

গাজর – ১/২ কাপ (কুচানো)

পেঁয়াজ – ১/২ কাপ (কুচানো)

ক্যাপসিকাম – ১/৪ কাপ (কুচানো)

টক দই – ১/২ কাপ

ধনেপাতা – ২ চামচ

কাঁচালঙ্কা – ১টি (কুচানো)

সর্ষে – ১/২ চা চামচ

জিরে – ১/২ চা চামচ

নুন – স্বাদমতো

তেল – পরিমাণমতো

মিনি উত্তাপম বানানোর পদ্ধতি

প্রথমে একটা বড় পাত্রে ইডলি বা ধোসার ব্যাটার নিন। এতে টক দই আর পরিমাণমতো জল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। ব্যাটার যেন খুব পাতলা না হয়ে যায়, একটু ঘন রাখবেন। এরপর কুচানো গাজর, পেঁয়াজ, ক্যাপসিকাম, কাঁচালঙ্কা আর ধনেপাতা ব্যাটারে দিয়ে দিন। এতে সর্ষে, জিরে আর স্বাদমতো নুন দিয়ে সবকিছু একসঙ্গে ভালো করে মেখে নিন।

এবার গ্যাসে তাওয়া বসিয়ে গরম করুন আর সামান্য তেল মাখিয়ে নিন। অল্প করে ব্যাটার নিয়ে তাওয়ার ওপর দিন এবং মিনি উত্তাপমের আকারে একটু মোটা করে ছড়িয়ে দিন। উত্তাপমের চারপাশে সামান্য তেল ছড়িয়ে মাঝারি আঁচে ভাজুন। নিচের দিকটা সোনালি হয়ে এলে সাবধানে উল্টে দিন। অন্য দিকটাও ভালো করে ভেজে নিন। দু'দিক ভালো করে ভাজা হয়ে গেলে গরম গরম তুলে নিন। নারকেলের চাটনি বা সাম্বারের সঙ্গে খেতে দিন।

স্বাদ বাড়াতে এই টিপসগুলো মাথায় রাখুন

উত্তাপম নরম করতে চাইলে ব্যাটার খুব বেশি পাতলা করবেন না। সবজিগুলো একদম ছোট ছোট করে কাটবেন, তাহলে প্রতিটা বাইটে সবজির দারুণ স্বাদ পাওয়া যাবে। বাচ্চাদের জন্য বানালে কাঁচালঙ্কার পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারেন। আপনার পছন্দমতো অন্য সবজিও এতে যোগ করতে পারেন। সাইজে মিনি হলেও স্বাদে কিন্তু ভরপুর! সবজিতে ঠাসা এই পুষ্টিকর উত্তাপম শুধু সকালের জলখাবার নয়, বাচ্চাদের টিফিনের জন্যও দারুণ একটা অপশন। বাড়িতে একবার বানিয়ে দেখুন, বাড়ির লোক যে আবার খেতে চাইবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই!