Honeymoon Destinations: দার্জিলিং-গ্যাংটকে ভিড়ে হানিমুন নষ্ট করবেন না। শিলিগুড়ি থেকে ২-৪ ঘণ্টার মধ্যেই আছে সিটং, তাকদা, লামাহাটা, চটকপুর আর লেপচাজগৎ। কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিউ, কমলালেবুর বাগান, পাইনের জঙ্গল আর শান্ত হোমস্টে। বাজেট কম, প্রাইভেসি বেশি। এই পুজোয় বুক করুন।
Perfect Honeymoon Spot: বিয়ের পর মধুচন্দ্রিমায় দার্জিলিং যাবেন ভেবেছেন? ম্যালে পা রাখার জায়গা পাবেন না। শিলিগুড়ি অব্দি টিকিট যখন কেটেই ফেলেছেন, এবার প্ল্যান একটু ঘোরান। ভিড় ছেড়ে চলুন পাহাড়ের এই পাঁচ লুকোনো গ্রামে। বাজেটও বাঁচবে, রোম্যান্সও জমবে।

সিটং: NJP থেকে মাত্র ২ ঘণ্টা। কমলালেবুর গ্রাম। অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি গেলে গাছ ভর্তি লেবু পাবেন। হোমস্টের বারান্দায় বসে দু'জন মিলে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখুন। লোকজন নেই, শুধু পাখির ডাক। রোম্যান্টিক সানরাইজ গ্যারান্টিড।
তাকদা: ব্রিটিশ আমলের বাংলো আর ঘন পাইনের জঙ্গল। তিনচুলে আর লামাহাটার মাঝে এই ছোট্ট গ্রামটা পুরো সিনেমার সেট। হাত ধরে জঙ্গলের রাস্তায় হাঁটুন। মেঘ নেমে আসবে আপনার গায়ে। কাপলদের জন্য স্বর্গ।
লামাহাটা: পাইন বনের মাঝে একটা সুন্দর পার্ক আর লেক। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ৩ ঘণ্টা। পাইনের জঙ্গলে হারিয়ে যান দু'জন। হোমস্টেগুলো খুব কোজি, জানলা খুললেই মেঘ ঢুকে পড়বে ঘরে।
চটকপুর: সেঞ্চল অভয়ারণ্যের ভিতরে। একদম উপরে। ৩৬০ ডিগ্রি কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিউ। এখানে মোবাইল নেটওয়ার্কও ঠিকমতো পায় না। শুধু আপনি, আপনার পার্টনার আর প্রকৃতি। বেস্ট ডিজিটাল ডিটক্স হানিমুন। চটকপুর পৌঁছনোর রাস্তা কঠিন। কারণ, রাস্তা বলে কিছু নেই। পাথরের উপর দিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। তবে চটকপুর পৌঁছে গেলে সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। এখানে সূর্যোদয় অন্যতম সেরা আকর্ষণ।
লেপচাজগৎ: দার্জিলিং থেকে ১৯ কিমি দূরে। পাইনে ঘেরা একটা ছোট্ট জনপদ। সারাদিন মেঘ আর কুয়াশার খেলা। রাতে হোমস্টের বনফায়ারের পাশে বসে আড্ডা। ভিড় নেই, হইচই নেই।
কেন যাবেন এখানে? এক, দার্জিলিং-এর অর্ধেক খরচে ঘোরা হয়ে যাবে। দুই, প্রাইভেসি ১০০ শতাংশ। তিন, লোকাল হোমস্টের খাবার আর আতিথেয়তা ভুলতে পারবেন না।
তাহলে এবার প্ল্যান চেঞ্জ করুন। টিকিট যখন আছেই, এই পাঁচটার একটা বুক করে ফেলুন। মধুচন্দ্রিমা মানে শুধু জায়গা নয়, স্মৃতি। আর স্মৃতি বানানোর জন্য ভিড় নয়, নিরিবিলি দরকার।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


