হঠাৎ করে খিদে পেলে কী খাবেন বুঝতে পারছেন না? জানুন কীভাবে দ্রুত স্ন্যাকস তৈরি করবেন। এগুলো ব্যস্ত দিনের শেষে কয়েক মিনিটেই বানানো যায়।
হঠাৎ খিদে পেলে ঘরে থাকা উপকরণ যেমন ডিম, মুড়ি, চিঁড়ে, ওটস বা সবজি দিয়ে খুব সহজেই পুষ্টিকর খাবার বানানো যায়। ডিমের অমলেট, সবজি দিয়ে পোলাও/খিচুড়ি, ওটস, বা স্বাস্থ্যকর চাট (মুড়ি ও সেদ্ধ ছোলা দিয়ে) দ্রুত পেট ভরায় এবং শরীরের পুষ্টির জোগান দেয়। দ্রুত স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস (Quick Healthy Snacks Ideas) আসলে এমন খাবারের ধারণা, যেগুলো বানাতে বেশি সময় লাগে না। এতে রান্নার ঝামেলা কম এবং শরীরের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না। এই ধরনের খাবার খেলে রক্তে শর্করার ওঠানামা কম হয়, হজম ভালো থাকে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতাও কমে যায়।
ঘরে থাকা উপকরণ দিয়ে সহজ কিছু খাবারের রেসিপি:
* ডিম ও সবজির চটজলদি খাবার: ডিম ওটস অমলেট, সেদ্ধ ডিমের চাট, বা সবজি দিয়ে ডিমের ভুজিয়া। এই খাবারগুলো দ্রুত তৈরি করা যায় এবং এগুলো প্রোটিন সমৃদ্ধ।
* ওটসের ব্যবহার: ওটস দিয়ে উপমা বা ওটস চাট তৈরি করতে পারেন। এটি উচ্চ আঁশযুক্ত হওয়ায় পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখে।
* ঐতিহ্যবাহী জলখাবার: চিঁড়ের পোলাও, মুড়ি মাখা (সবজি ও ছোলা দিয়ে), বা সুজির উপমা। এগুলোতে ক্যালোরি কম থাকে কিন্তু পুষ্টিগুণ বেশি।
* সবজি ও ফল: ঘরে থাকা শসা, টমেটো, গাজর দিয়ে চাট বা সেদ্ধ সবজি। এছাড়াও, ফল যেমন আপেল, কলা বা বাদাম দ্রুত খাওয়ার জন্য স্বাস্থ্যকর বিকল্প।
* যাঁরা হালকা কিন্তু ঠান্ডা ধরনের কিছু চান, তাঁদের জন্য দই ও শসার মতো খাবার দারুণ কাজ করে। এতে শরীর হাইড্রেটেড থাকে, পেট ঠান্ডা হয় এবং গরম বা স্ট্রেসের কারণে হওয়া অস্বস্তি কমে। আবার খেজুর ও প্রাকৃতিক পিনাট বাটার দিয়ে তৈরি খাবার শরীরকে দ্রুত এনার্জি দেয়। এতে অতিরিক্ত চিনিও শরীরে ঢোকে না।
এই খাবারগুলো তৈরির সময় কম লাগে এবং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিও নিশ্চিত করে।
সবচেয়ে ভালো দিক হল, এই ধরনের স্ন্যাকস বানাতে আলাদা কোনও বিশেষ উপকরণ লাগে না। যা ঘরেই আছে, সেটাকেই একটু বুদ্ধি করে ব্যবহার করলেই তৈরি হয়ে যায় এমন খাবার, যা খিদে মেটানোর পাশাপাশি শরীরের প্রয়োজন মেটায়।


