কলকাতা থেকে মাত্র ৪ ঘণ্টার দূরত্বে ঝাড়খণ্ড-পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে অবস্থিত মাইথন (Maithon) সপ্তাহান্তে ঘোরার জন্য একটি দারুণ জায়গা। বড় দামোদর নদের ওপর এই সুবিশাল জলাধার, পাহাড়, বোট রাইডিং এবং শান্ত পরিবেশ আপনার দুদিনের ছুটি জমিয়ে দেবে।

কলকাতা থেকে মাত্র ৪ ঘণ্টার দূরত্বে ঝাড়খণ্ড-পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে অবস্থিত মাইথন (Maithon) সপ্তাহান্তে ঘোরার জন্য একটি দারুণ জায়গা। বড় দামোদর নদের ওপর এই সুবিশাল জলাধার, পাহাড়, বোট রাইডিং এবং শান্ত পরিবেশ আপনার দুদিনের ছুটি জমিয়ে দেবে। শীতকালে বা বর্ষায় মাইথনের রূপ সবচেয়ে সুন্দর।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বিস্তারিত পরিকল্পনা (১ রাত ২ দিন):

* যাতায়াত: কলকাতা (এসপ্ল্যানেড/করুণাময়ী) থেকে বাসে বা গাড়ি নিয়ে সোজা দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে (NH19) ধরে আসানসোল পেরিয়ে কুমারধুবি/মাইথন মোড়। সময় লাগে প্রায় ৩.৫ থেকে ৪ ঘণ্টা। ট্রেন ধরতে চাইলে হাওড়া থেকে ব্ল্যাক ডায়মন্ড বা অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসে আসানসোল বা কুমারধুবি স্টেশন নামতে হবে।

* কোথায় থাকবেন: মাইথন ড্যামের কাছে WB TDCL-এর মুকতধারা ট্যুরিজম প্রপার্টি সবচেয়ে জনপ্রিয়। এছাড়া সেখানে ডাম্বাট টাউনশিপে মজুমদার নিবাস বা কল্যাণেশ্বরী মন্দিরের কাছে বেশ কিছু বেসরকারি হোটেল রয়েছে।

* দর্শনীয় স্থান

  • মাইথন ড্যাম: বিশাল জলাধার পরিদর্শন এবং হেঁটে ড্যাম পার হওয়া।
  • বোট রাইডিং: স্পিড বোট বা সাধারণ বোটে চড়ে মাঝনদীতে ঘুরে বেড়ানো, যা খুবই রোমাঞ্চকর।
  •  কল্যাণেশ্বরী মন্দির: মাইথন থেকে খুব কাছেই অবস্থিত জাগ্রত মন্দির।
  •  স্পিলওয়ে ও পাহাড়: বর্ষাকালে মাইথনের স্পিলওয়ে খোলা থাকলে অপূর্ব দৃশ্য তৈরি হয়। কাছেই ভান্ডার পাহাড় বা দ্বীপগুলো বোট নিয়ে ঘুরে দেখা যায়।
  •  পাঞ্চেত ড্যাম: সময় থাকলে কাছের পাঞ্চেত ড্যামও ঘুরে আসতে পারেন।
  • *খাবার: ড্যামের আশেপাশের হোটেলগুলো থেকে গরম রুটি, মাছ বা মুরগির ঝোল (হোমলি ফুড) খুব সুস্বাদু।

পরামর্শ: ভিড় এড়াতে চাইলে উইকএন্ডের আগে হোটেল বুক করে যাওয়াই ভালো