- Home
- Lifestyle
- Lifestyle Tips
- Vivekananda Jayanti 2026: তাঁর জন্মবার্ষিকীকে স্মরণ করেই দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় যুব দিবস
Vivekananda Jayanti 2026: তাঁর জন্মবার্ষিকীকে স্মরণ করেই দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় যুব দিবস
২০২৬ সালের স্বামী বিবেকানন্দ জয়ন্তী জাতীয় যুব দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে, যা তাঁর জন্মবার্ষিকীকে স্মরণ করে। এই দিনটি তাঁর ধর্ম, মানবতা এবং কর্মের সার্বজনীন দর্শনকে তুলে ধরে, যেখানে তিনি মানবতার সেবাকেই সর্বোচ্চ ধর্ম বলে মনে করতেন।

স্বামী বিবেকানন্দ জন্মবার্ষিকী
Swami Vivekananda Jayanti 2026: ২০২৬ সালে স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে জাতীয় যুব দিবস পালিত হচ্ছে। প্রতি বছর ১২ জানুয়ারি পালিত হয়, এই দিনটি কেবল স্বামী বিবেকানন্দর জন্মবার্ষিকী নয়, বরং ভারতের আধ্যাত্মিক শক্তি, আত্মবিশ্বাস এবং যুবসমাজের অনুপ্রেরণার প্রতীক। স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর চিন্তাভাবনার মাধ্যমে ধর্ম, মানবতা এবং কর্মের প্রকৃত অর্থ কেবল ভারতকেই নয়, সমগ্র বিশ্বকে ব্যাখ্যা করেছিলেন।
ধর্মের সর্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গি
স্বামী বিবেকানন্দের ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি সংকীর্ণতাকে অতিক্রম করেছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন যে ধর্মের উদ্দেশ্য কোনও একটি সম্প্রদায় বা ঐতিহ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়, বরং মানবতাকে তার অভ্যন্তরীণ শক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া উচিত। তিনি ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার এবং আচার-অনুষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে ধর্মের খোলাখুলি সমালোচনা করেছিলেন।
মানবতার সেবাই প্রকৃত ধর্ম
তার মতে, ধর্ম যখন সমাজে বৈষম্য, বর্ণবাদ বা বৈষম্যকে উৎসাহিত করে, তখন তা তার মূল উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত হয়। ১৮৯৩ সালে শিকাগোতে বিশ্ব ধর্ম সংসদে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণকে এখনও ধর্মীয় সহনশীলতার একটি সর্বোচ্চ উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর বিখ্যাত উক্তি—
"আমরা কেবল সহিষ্ণুতায় বিশ্বাস করি না, বরং সকল ধর্মের সত্যেও বিশ্বাস করি"—ধর্মের সার্বজনীনতা স্পষ্ট করে।
মানবতার সেবাই প্রকৃত ধর্ম।
মানবতার সেবা ছিল ধর্মের সর্বোচ্চ রূপ
স্বামী বিবেকানন্দের কাছে মানবতার সেবা ছিল ধর্মের সর্বোচ্চ রূপ। তিনি তাঁর গুরু শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের দর্শন "শিব জ্ঞানে জীব সেবা" (জীবিত প্রাণীর সেবা) কে তাঁর জীবনের ভিত্তি করে তুলেছিলেন। তাঁর মতে, ঈশ্বরকে মন্দিরে নয়, দরিদ্র, দুঃখী এবং বঞ্চিতদের মধ্যে দেখা উচিত। এই চিন্তাধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সমাজসেবার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে চলেছে।
ধর্ম, বিজ্ঞান এবং যুবশক্তি
ধর্ম, বিজ্ঞান এবং যুবশক্তি
স্বামী বিবেকানন্দের চিন্তাভাবনা প্রাচীন ভারতীয় আধ্যাত্মিকতা এবং আধুনিক বিজ্ঞানের একটি সুন্দর সংশ্লেষণকে প্রতিফলিত করে। তিনি বিশ্বাস করতেন যে ধর্ম এবং বিজ্ঞান পরস্পরবিরোধী নয়, বরং পরিপূরক।
তিনি যুবসমাজকে তাদের লক্ষ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠা বিকাশের আহ্বান জানান। তাঁর অনুপ্রেরণামূলক বার্তা—
"ওঠো, জাগো, এবং লক্ষ্যে পৌঁছানো পর্যন্ত থেমো না"—আজও যুবসমাজকে পথ দেখায়।
-1673529066127.jpg)
