West Bengal Tourism: পুজোর দিনগুলিতে মণ্ডপে ঘুরে ঠাকুর দেখার চেয়ে গ্রামবাংলার আঙিনায় ঘোরা বেশি পছন্দ? তাহলে চলুন কলকাতার কাছেই গোপালপুরে। ওড়িশার সৈকতশহর হিসেবে গোপালপুর জনপ্রিয়। তবে এই গোপালপুরে সাগর নেই। আছে পুরনো মন্দির, শাল-পিয়াল আর গ্রামবাংলার হাতছানি।

Durga Puja Vacation Tourism: পুজো মানেই কি শুধুই ভিড় ঠেলে ঠাকুর দেখা? যদি আপনার মন চায় একটু শান্তি, একটু সবুজ, একটু গ্রামবাংলার গন্ধ নিতে, তাহলে এবার পুজোয় পাড়ি দিন গোপালপুরে। অনেকে ভাববেন ওড়িশার সেই বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত গোপালপুরের কথা। কিন্তু না, এটা সেই গোপালপুর নয়। এ হল বাংলার নিজস্ব গোপালপুর। যেখানে সমুদ্র নেই, কিন্তু আছে যা, তা সমুদ্রের থেকেও বেশি শান্তির।

কী আছে এই গোপালপুরে?

কলকাতা থেকে মাত্র ৩-৪ ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত এই গোপালপুর একেবারে গ্রামবাংলার আসল ছবি। চারদিকে শাল-পিয়ালের জঙ্গল, মাঝে মাঝে পুরনো টেরাকোটার মন্দির, ধানক্ষেত আর মাটির বাড়ি। এখানে এলে দেখতে পাবেন - - শতাব্দী প্রাচীন পুরনো শিব মন্দির ও স্থানীয় দেবদেবীর থান। - জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হাঁটার জন্য সুন্দর ট্রেইল। - স্থানীয় আদিবাসী গ্রাম ও তাদের জীবনযাত্রা। - সন্ধ্যায় ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক আর ভোরে পাখির কলতান। কোলাহল নেই, দূষণ নেই, শুধু প্রকৃতি আর আপনি।

থাকবেন কোথায়?

পর্যটকদের জন্য এখানে রয়েছে সরকারি বন-আবাস বা ফরেস্ট রেস্ট হাউস। জঙ্গলের একদম মাঝে কটেজে থাকার অভিজ্ঞতা অসাধারণ। আধুনিক সুবিধা-সহ মাটির গন্ধমাখা ঘর পাবেন। আগে থেকে অনলাইনে বুকিং করে যেতে হয়। এছাড়াও কিছু প্রাইভেট হোমস্টে-ও গড়ে উঠেছে।

কীভাবে যাবেন?

কলকাতা থেকে গাড়িতে মাত্র ৩-৪ ঘণ্টা। খড়গপুর হয়ে ভায়া ঝাড়গ্রাম রুট ধরে গেলে রাস্তাও খুব সুন্দর। চাইলে ট্রেনে কাছাকাছি স্টেশনে নেমে অটো বা টোটোতেও পৌঁছনো যায়। তাই এবার পুজোয় যদি একঘেয়ে মণ্ডপের ভিড় থেকে বেরিয়ে একটু অন্যরকম শান্তি চান, তাহলে ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে পড়ুন এই অচেনা গোপালপুরের উদ্দেশ্যে। গোপালপুর ছাড়াও ঘুরে নিতে পারেন ঝাড়গ্রাম, বেলপাহাড়ি, কাঁকড়াঝোড়। ঘাটশিলাও খুব দূরে নয়। এমনকী, বাংরিপোসির দূরত্বও বেশি নয়। ফলে গোপালপুর থেকে একসঙ্গে অনেক জায়গা ঘুরে নেওয়া সম্ভব।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।