জ্বলছে ইরান। মধ্যপ্রান্তে ঝামেলা কমার এখনো কোনো চিহ্ন নেই। টানা চলতে থাকা সংঘাতের ফলে বন্ধু হরমুজ প্রণালী। এরই প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের হেঁসেলে। গ্যাসের দাম বেড়েছে। এবং গ্যাসের অভাব দেখা দিয়েছে।

রেস্টুরেন্টের খাবারের বিলে 'LPG চার্জ', 'ফুয়েল সারচার্জ' বা 'গ্যাস সাপ্লাই চার্জ' যোগ করা সম্পূর্ণ অবৈধ। সেন্ট্রাল কনজিউমার প্রোটেকশন অথরিটি (CCPA) অনুযায়ী, মেনুতে দেখানো মূল্যের ওপর শুধু প্রযোজ্য GST নেওয়া যাবে। অন্য কোনো অতিরিক্ত চার্জ সম্মতি ছাড়া নেওয়া বেআইনি। এমন হলে বিল পরিশোধের আগে তা বাদ দিতে বলুন, নাহলে National Consumer Helpline-এ (1915) অভিযোগ জানান।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বিস্তারিত করণীয় এবং অধিকার:

১. প্রথমেই প্রতিবাদ করুন (Ask for Removal): বিল হাতে পাওয়ার পর যদি 'LPG Charges' বা অনুরূপ কোনো অতিরিক্ত চার্জ দেখতে পান, তবে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষকে তা বিল থেকে বাদ দিতে বলুন। তাদের বলুন যে এই চার্জ বেআইনি এবং তা মেনুতে বা খাবারের মূল্যের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত।

২. বিল দিতে অস্বীকার করুন (Refuse Payment): আপনার অধিকার আছে ওই নির্দিষ্ট চার্জটি না দেওয়ার। যদি তারা জোর করে, তবে বিলের ওপর 'Protested Payment' লিখে সাইন করুন এবং বিলের কপি নিন।

৩. অভিযোগ জানান (File a Complaint): ন্যাশনাল কনজিউমার হেল্পলাইন (NCH): ১৯১৫ (1915) নম্বরে কল করে অভিযোগ জানান। NCH অ্যাপ/ওয়েবসাইট: NCH মোবাইল অ্যাপ বা e-Jagriti পোর্টালে অনলাইনে অভিযোগ ফাইল করুন।

CCPA বা জেলা কালেক্টর: জেলা কালেক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া।

৪. প্রমাণ সংগ্রহ করুন: বিলের ছবি, মেনু কার্ডের ছবি (যেখানে চার্জের কথা লেখা নেই) এবং রেস্তোরাঁর নাম ও ঠিকানা সংরক্ষণ করুন।৫. সার্ভিস চার্জ সম্পর্কিত নির্দেশিকা: মনে রাখবেন, খাবারের বিলে সার্ভিস চার্জ (Service Charge) বাধ্যতামূলকভাবে যোগ করাও অবৈধ, যদি না তা মেনুতে স্পষ্টভাবে আগে থেকে উল্লেখ থাকে।

রেস্তোরাঁগুলি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি বা জোগানের অভাবের অজুহাতে এই অবৈধ চার্জ নিচ্ছে, যা ভোক্তা সুরক্ষা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।

লম্বা লাইন পেট্রোল পাম্প গুলিতে। রান্নার গ্যাসেরও অভাব প্রকট হয়েছে বেশ কয়েকদিনে। অনলাইনে গ্যাস বুক করলে আসতে অনেক সময় লাগছে ফলে গৃহস্থরা পড়েছেন বেকায়দায়। তার সঙ্গে গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো যোগ হয়েছে এই রেস্তোরাঁর অতিরিক্ত চার্জ। ইতিমধ্যেই গোটা দেশে নজরদারি শুরু করেছে CCPA। যেকোনও অভিযোগ এলেই সেটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে, এমনই আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্রীয় গ্রাহক সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ।