Sun Therapy: ব্রিটেনের একটি হাসপাতালে সান থেরাপি নিচ্ছেন ঐ মহিলা। কয়েকদিন আগেও যিনি ভর্তি ছিলেন আইসিইউতে। ইউরোপের একাধিক হাসপাতালে সান থেরাপি ইতিমধ্যেই বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মুমূর্ষু রোগীকেও দীর্ঘ সময় রোদে রেখে তাঁর রোগ নিরাময়ের চেষ্টা করছেন চিকিৎসকরা। থেরাপিটি নিয়ে তাই আলোচনাও হচ্ছে ব্যাপক।

Sun Therapy: রোদে বসেই রোগমুক্তি! হাসপাতালের চওড়া বারান্দায় সেই হাসপাতালেরই পোশাক পরে হুইলচেয়ারে বসে রোদ পোহাচ্ছেন এক মহিলা (Sun Therapy)। বয়স হবে আনুমানিক ৫০-৬০ এর মধ্যে। এমনই একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে (Sun Therapy Benefits)। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সেখানে বলা হচ্ছে, ব্রিটেনের একটি হাসপাতালে সান থেরাপি নিচ্ছেন ঐ মহিলা। কয়েকদিন আগেও যিনি ভর্তি ছিলেন আইসিইউতে। ইউরোপের একাধিক হাসপাতালে সান থেরাপি ইতিমধ্যেই বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মুমূর্ষু রোগীকেও দীর্ঘ সময় রোদে রেখে তাঁর রোগ নিরাময়ের চেষ্টা করছেন চিকিৎসকরা। থেরাপিটি নিয়ে তাই আলোচনাও হচ্ছে ব্যাপক।

সূর্যের আলোয় চিকিৎসা হচ্ছে ইউরোপের একাধিক হাসপাতালে

সূর্যের আলোয় চিকিৎসা পদ্ধতি নতুন কিছু নয়। একটি প্রাচীন কার্যকর পদ্ধতি। ১৮ এবং ১৯ শতকে, যখন অ্যান্টিবায়োটিক বা উন্নতমানের চিকিৎসা প্রযুক্তির আবিষ্কার হয়নি, তখন এইভাবেই চিকিৎসারা চল ছিল। চিকিৎসকেরা তখন উপলব্ধি দেখেছিলেন যে, হাসপাতালের বদ্ধ ঘরের চেয়ে খোলা হাওয়া এবং রোদে যদি রোগীকে রাখা যায়, তাহলে রোগীরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন। 

এই পদ্ধতির নাম ছিল তখন ‘হেলিয়োথেরাপি’। চিকিৎসার এই প্রাচীন পদ্ধতিকেই আবারও ফিরিয়ে আনা হয়েছে ইউরোপের একাধিক হাসপাতালে। কার্যত, বদলে ফেলা হচ্ছে হাসপাতালের নকশাও। সান থেরাপির জন্য তৈরি করা হচ্ছে বড় বড় জানলা এবং খোলা বারান্দা ও সঙ্গে থাকছে ছাদ। সেখানেই তৈরি করা হচ্ছে সানলাইট জ়োন। 

গুরুতর অসুস্থ রোগীদের বিছানা বা হুইলচেয়ার সহ সেই বারান্দা বা ছাদে নির্দিষ্ট সময় ধরে রাখা হচ্ছে। সেখানে খোলা হাওয়া এবং রোদে রোগী অনেক তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে দাবি করছেন চিকিৎসকরা। 

রোদের মধ্যে বসেই রোগমুক্তি!

আসলে সূর্যের আলো ত্বকে লাগলে শরীর কিন্তু নিজে থেকেই ভিটামিন ডি তৈরি করে। এই ভিটামিন যেমন হাড়ের গঠনকে মজবুত করে, টিক তেমনই পেশিগুলিকেও সক্রিয় করে তোলে। তাছাড়া হরমোনের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

পাশাপাশি সূর্যের আলো শরীরে 'সেরোটোনিন' নামক হ্যাপি হরমোনের মাত্রাকেও অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। তার ফলে, রোগীর অবসাদ, মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ অনেকটা কমে যায়। যা দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি বিষয়।

ভারতের কিছু সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে এই পদ্ধতির প্রয়োগ করা হচ্ছে। যেমন এই দেশে শিশুদের তেল মালিশ করে রোদে শুইয়ে রাখার রেওয়াজ অনেক বাড়িতেই আছে। সেটিও সান থেরাপিরই একটি ঘরোয়া প্রয়োগ। তবে এখন গুরুতর অসুস্থ রোগীদেরও এই থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। 

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।