দশমী মানেই সিঁদুর খেলা, আনন্দ, কোলাকুলি। কিন্তু আনন্দের পরেই অনেকের মুখে দেখা দেয় জ্বালা, চুলকানি, লাল লাল র্যাশ। বাজারের সস্তা সিঁদুরে থাকে লেড, মার্কারি ও কৃত্রিম রঙের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক, যা সংবেদনশীল ত্বকে অ্যালার্জির কারণ হয়। আর ভুলটা আমরা করি সিঁদুর তোলার সময়।
দশমী মানেই সিঁদুর খেলা, আনন্দ, কোলাকুলি। কিন্তু আনন্দের পরেই অনেকের মুখে দেখা দেয় জ্বালা, চুলকানি, লাল লাল র্যাশ। বাজারের সস্তা সিঁদুরে থাকে লেড, মার্কারি ও কৃত্রিম রঙের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক, যা সংবেদনশীল ত্বকে অ্যালার্জির কারণ হয়। আর ভুলটা আমরা করি সিঁদুর তোলার সময়। সাবান দিয়ে জোরে জোরে ঘষে ত্বক আরও খারাপ করে ফেলি। তাই সিঁদুর খেলার পর ত্বক পরিষ্কারেরও রয়েছে সঠিক নিয়ম।
ভুলেও যা করবেন না:
সিঁদুর খেলে এসেই অনেকে ফেসওয়াশ বা সাবান দিয়ে মুখ ঘষতে শুরু করেন। এটা একদম করবেন না। সিঁদুরে থাকা কেমিক্যালের সঙ্গে সাবানের ক্ষার মিশে ত্বকের ব্যারিয়ার নষ্ট করে দেয়, ফলে র্যাশ আরও বাড়ে। ওয়াইপস দিয়ে জোরে ঘষাঘষিও নয়।
সঠিকভাবে ত্বক পরিষ্কারের ৫ ধাপ:
১. তেল দিয়ে তোলা: প্রথমে নারকেল তেল, বেবি অয়েল বা অলিভ অয়েল হাতে নিয়ে মুখে ১-২ মিনিট আলতো করে ম্যাসাজ করুন। তেল সিঁদুরকে গলিয়ে দেবে, ঘষার দরকার পড়বে না। তারপর তুলো দিয়ে মুছে নিন।
২. মাইল্ড ক্লিনজার: তেল মোছার পর কোনও মাইল্ড, সালফেট-ফ্রি ক্লিনজার বা মাইসেলার ওয়াটার দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
৩. ঠান্ডা জলের ঝাপটা: গরম জল নয়, ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ঠান্ডা জল জ্বালা ভাব কমায় ও লোমকূপ বন্ধ করে।
৪. অ্যালোভেরা ও গোলাপ জল: মুখ ধোয়ার পর ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা অ্যালোভেরা জেল বা গোলাপ জল তুলোয় করে লাগান। এটি ত্বককে শান্ত করবে।
৫. ময়েশ্চারাইজার: শেষে অবশ্যই একটি হালকা, ফ্র্যাগরেন্স-ফ্রি ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।
কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
যদি র্যাশ ২৪ ঘণ্টার বেশি থাকে, খুব চুলকায়, ফোসকা পড়ে বা মুখ ফুলে যায়, তাহলে দেরি না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। পরের বছর থেকে চেষ্টা করুন হার্বাল বা অর্গানিক সিঁদুর ব্যবহার করতে, এবং সিঁদুর খেলার আগে মুখে ভালো করে ময়েশ্চারাইজার বা প্রাইমার লাগিয়ে নিন, যাতে সিঁদুর সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে না আসে।







