যদি ছুটি না থাকে তাহলে ঘুরতে যাওয়ার কথা মাথায় আনলো তখন চিন্তা হয় দুদিনের ছুটি নিয়ে কোথায় ঘুরতে যাওয়া যায়। তার ওপর সামনেই আছে সপ্তাহান্ত। তাই এই সপ্তাহ শেষে আপনি আপনার প্রিয়জন দের নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন মেদিনীপুরের গগনেশ্বর থেকে।
সপ্তাহান্তে কলকাতার কাছেই ইতিহাসের সাক্ষী হতে মেদিনীপুর (পশ্চিম) দারুণ জায়গা। গড়বেতা, চন্দ্রকোনা ও দাঁতনে ছড়িয়ে রয়েছে ঐতিহাসিক কুরুমবেরা দুর্গ, মোঘালমারি বৌদ্ধ বিহার ও চিল্কিগড়ের রাজবাড়ি। ১-২ দিনের ঝটিকা সফরে কংসাবতী নদীর পাড়, প্রাচীন মন্দির এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ মন ভালো করবে।
*মেদিনীপুর ভ্রমণে প্রধান আকর্ষণ*:
• (গড়বেতা): প্রায় ৫৫০ বছরের পুরনো এই দুর্গটি কুরুমবেরা গ্রামের হিজলি এলাকায় অবস্থিত। পোড়ামাটির কাজের এই নিদর্শনটি দেখার মতো।
• Moghalmari বৌদ্ধ বিহার: দাঁতনের কাছে অবস্থিত প্রাচীন এই বৌদ্ধ বিহারটি মেদিনীপুরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ, যা প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ।
• (Chilkigarh): ডুলুং নদীর তীরে অবস্থিত এই মন্দিরটি প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো। এখানে আদি রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ ও গভীর জঙ্গল এলাকাও দেখার মতো।
• চন্দ্রকোনা ও গড়বেতা: চৌধুরী রাজাদের তৈরি গড়বেতা ও চন্দ্রকোনার পুরনো দুর্গ ও মন্দিরগুলি (যেমন- রাধাবল্লভজিউ মন্দির)।
মেদিনীপুর শহরের খুব কাছে কংসাবতী নদীর তীরে এটি একটি সুন্দর পিকনিক ও ঘোরার জায়গা।
*ভ্রমণ পরিকল্পনা ও টিপস:*
• কিভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে গাড়ি ভাড়া করে বা ট্রেন ধরে মেদিনীপুর (Midnapore) বা ঘাটাল (Ghatal) স্টেশন হয়ে যাওয়া যায়।
• থাকার ব্যবস্থা: মেদিনীপুর শহরে ভালো হোটেল পাওয়া যায়। চিল্কিগড় বা গড়বেতার আশেপাশেও হোমস্টে-র ব্যবস্থা থাকতে পারে ।
• সেরা সময়: শীতকাল (নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি) ঘোরার জন্য সেরা সময়।
ইতিহাস ও প্রকৃতির মেলবন্ধন দেখতে চাইলে এই সপ্তাহের ছুটিতে মেদিনীপুর হতে পারে আপনার অন্যতম সেরা পছন্দ!


