রাস্তা তো দূর ঘরের ব্যালকনিতে দাঁড়ালেও যেন মাস্কেই ভরসা। তবে শুধু এই মাস্ক নয়। মাস্কের পাশাপাশি হ্যান্ড স্যানিটাইজারেরও সমান জনপ্রিয়তা। করোনা আতঙ্কে জেরবার বিশ্ববাসী । ঘরে কিংবা বাইরে স্যানিটাইজার যেন সকলেরই ভরসা। করোনা রুখতে এবং নিজেকে প্রতিরোধ করতে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া মাস্ট। প্রতিটি গৃহস্থালিরই নতুন সঙ্গী এই স্যানিটাইজার। বাইরের কথা তো ছেড়েই দিলাম, বরং ঘরেও ৩০ মিনিট অন্তর চাই এই স্যানিটাইজার। সম্প্রতি স্যানিটাইজার নিয়ে এমন এক  তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে যা শুনেই সকলেই হতবাক হয়েছে।

 

 

সম্প্রতি সিজিএসআই জানাচ্ছে, হ্যান্ড স্যানিটাইজারেই লুকিয়ে রয়েছে মারাত্মক বিপদ। যেখানে সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ স্যানিটাইজারেই মিলছে বিষাক্ত মিথানল। শুধু তাই নয়, ৪৫টির মধ্যেই পাওয়া গিয়েছে এমন রাসায়নিক যা কিনা স্যানিটারজারের বাক্সের লেভেলেই লেখা নেই। এবং সেখানে ৪ শতাংশ হারে পাওয়া গেছে এই মিথানল। যা শরীরে ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারে। এই স্যানিটাইজার থেকেই অন্ধত্ব চলে আসতে পারে। যা শোনা মাত্রই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

 

বেশ কিছু স্যানিটাইজারে ক্ষতিকর অ্যালকোহল রয়েছে যা থেকে এই সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। অনেক স্যানিটাইজারেই ইথাইল ব্যবহার করা হচ্ছে , পরে যা মিথানল হিসেবে পজিটিভ হয়ে যাচ্ছে। মিথানল দিয়ে তৈরি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে সকলকেই নিষেধ করা গচ্ছে। কারণ এর থেকে মাথা যন্ত্রণা, বমি, অন্ধত্ব, জ্ঞান হারানো থেকে কোমায় পর্যন্ত চলে যেতে পারেন  যে কোনও ব্যক্তি। তাই ইথানল বেসড অ্যালকোহল ব্যবহার করলেও মিথানল বেসড স্যানিটাইজার একদম ব্যবহার করতে বারণ করা হচ্ছে। ইথানলের থেকে মিথানলের দামও অনেকটা কম। সেই কারণেই মিথানল দিয়ে বেশি স্যানিটাইজার বানানো হচ্ছে। 

আরও পড়ুন-সম্পূর্ণ বিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার পেতে চান, শেষ সুযোগ হাতছাড়া করলেই বড়সড় ক্ষতি...

গত ৩১ আগস্ট সিজিএসআই-এর সমীক্ষায় দেখা গেছে, হ্যান্ড স্যানিটাইজারগুলিতে আদৌ অ্যালকোহলের চিহ্ন রয়েছে কিনা। সিজিএসআই এটা দেখতে চেয়েছিল  যে বাজারচলতি স্যানিটাইজার কতটা ক্ষতিকারক রাসায়নিক দিয়ে তৈরি। এই মিথানল রীতিমতো বিষাক্ত। সিজিএসআই জানিয়েছে, কোনওভাবেই যেন এই মিথানল বেসড স্যানিটাইজার ব্যবহার না করা হয়।