অর্থনৈতিক উন্নতির ভিত্তিতে বাজেটের ঘাটতি লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জন্য ভারত সরকার মোবাইল ফোন পরিষেবা সরবরাহকারী সংস্থা থেকে  শক্তি উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি এবং সার প্রস্তুতকারকদের থেকে বকেয়া টেলিকম ফি বাবদ কমপক্ষে ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের বকেয়া জমার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার গুজরাট নর্মদা ভ্যালি সার ও কেমিক্যালস লিমিটেড জানিয়েছে, টেলিকম মন্ত্রণালয় ২৩ শে জানুয়ারির মধ্যে ১৫,০২০ কোটি  টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, যা কোম্পানির বার্ষিক লাভের চেয়ে ২০ গুণ বেশি।

আরও পড়ুন- বছরের শুরুতেই দাম কমল সোনার, মুখে হাসি মধ্যবিত্তের

ভোডাফোন গ্রুপ পিএলসি'র ভারতীয় ইউনিট এবং ভারতী এয়ারটেল লিমিটেড-এর থেকেও ৩ বিলিয়ন ডলার এবং গেইল ইন্ডিয়া লিমিটেডকে ২৪ বিলিয়ন ডলার জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে বিশেষ এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। " দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অর্থনীতি বিভাগের প্রধান প্রিয়াঙ্কা কিশোর বলেছেন," করহীন রাজস্বের উপর জোর দেওয়া অবাক করা মত কোনও বিষয় নয়। দেশের সরকার করহীন রাজস্বের উপর জোর না দিলে জিডিপি ২০২০ সালের মার্চ মাসে জিডিপি ৩.৩ শতাংশে নেমে আসবে। গুজরাট নর্মদা সংস্থার থেকে এই বিষয়ে জানিয়েছে, ২০০৫ থেকে ২০১৮ সাল স্যাটেলাইট ফোন এবং ইন্টারনেট পরিসেবার লাইসেন্স সম্পর্কিত  বিষয়ে আইনী পরামর্শ নেবে।

আরও পড়ুন- নতুন বছরে নতুন ধামাকা জিও-র, ই-কমার্স সাইটে নতুন সংযোজন জিও মার্ট

২২ ডিসেম্বর পিটিআই-এর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিএআইএল ইন্ডিয়া সংস্থাকেও ১.৭ ট্রিলিয়ন বকেয়া জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিএআইএল ইন্ডিয়া ভারত সরকারের কাছে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে জানিয়েছে, যে তারা ইতিমধ্যেই বকেয়া প্রদান করেছে। ডিসেম্বর মাসে ভোডাফোনের স্থানীয় ইউনিট জানিয়েছে যে, বকেয়া মেটানোয় যদি সরকারের সমর্থন পাওয়া না পায় তবে সংস্থা তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হবে।