দূর্গাপুজো শেষ, সামনেই কালীপুজো। ভাইফোঁটা দিয়ে এবছরের মতো অনুষ্ঠানের মরসুম বিদায় নেবে আমাদের থেকে। ছোট বেলা থেকেই যতোই ভাই বোনেদের মারপিঠ, ছোট খাট ঝামেলা হোক,সারাবছর ধরেই বোধয় ভাইফোঁটার জন্য় সবাই অপেক্ষা করে থাকে। তবে এই শুভ দিনের  সম্পর্কিত কয়েকটি হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী রয়েছে। 

শোনা যায়, শ্রীকৃষ্ণ নরকাসুরকে বধ করার পরে তাঁর বোন সুভদ্রাকে দেখতে গিয়েছিলেন। তার বোন তাকে আন্তরিক স্বাগত জানিয়েছিলেন এবং ফুল এবং মিষ্টির মাধ্যমে অনুষ্ঠানটিকে সত্যই বিশেষ করে তুলেছেন। সুভদ্রা তাঁর ভাই কৃষ্ণের কপালে আনুষ্ঠানিক ভাবে তিলক পরিয়েছিলেন এবং সেখান থেকেই 'ভাইফোঁটা ' উত্সবের জন্ম হয়। ভাই ফোঁটা এমন একটি উতসব যা ভারত, নেপাল এবং অন্যান্য দেশের হিন্দুদের মধ্যে বিক্রম সংবাদ হিন্দু ক্যালেন্ডারের কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় চন্দ্র দিবসে পালিত হয়। দিবসটি পাঁচ দিনব্যাপী দীপাবলি  উদযাপনের শেষ দিনে আসে। এটি ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে 'যম দ্বিতীয়া' হিসাবেও উদযাপিত হয়। 

যাই হোক, আর কদিন পর ভাইয়ের মঙ্গল কামনাতেই যমের দুয়ারে ফোঁটা দেওয়ার পালা। আর ছোট কুট্টি বোনও অনায়াসে উপোস করে থাকতে পারে তার আদরের ভাইয়ের জন্য। সব মিলিয়ে দিনটা ভাই-বোনের জন্য একেবারেই  বিশেষ দিন। তবে যে ভাই-বোনরা কাছাকাছি থাকেন না, তাদের একটু মন খারাপ থাকে। তাই দিনটি আরও খানিকটা বিশেষ করতে অনেকে যোগ করে ভাইফোঁটার এই কার্ডগুলো। আবার অনেকে সকাল সকাল ফোন খুলেই যেন ভাই বা দাদা তাঁর বোনের শুভেচ্ছা বার্তা পেয়ে যান। টেকনোলজির দৌলতে এখন সবটাই হাতের মুঠোয়। তাই সকালেই  সেরে ফেলে সবাই উইশ পর্ব। ভিডিও কলেও বা স্যোশাল সাইটেই সারতে পারেন ভাইফোঁটা।