কোষ্ঠকাঠিন্য আপাতদৃষ্টিতে কোনও জটিল রোগ নয় তবে এর প্রতিকার না হলে সৃষ্টি হয় জটিল সমস্যার দীর্ঘ স্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় হতে পারে ক্য়ান্সারও প্রকৃতিক উপায়ে কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করুন সহজেই

চিকিৎসকদের মতে কোষ্ঠকাঠিন্যের উৎস হল আঁশযুক্ত খাবার এবং শাকসবজি কম খাওয়া, জল কম খাওয়া, দুশ্চিন্তা, কায়িক পরিশ্রমের অভাব, অন্ত্রনালিতে ক্যানসার, ডায়াবেটিস, ঔষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ইত্যাদি। ঋতু পরিবর্তনের ফলেও অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া, বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন যে, যারা অতিরিক্ত চা বা কফি পান করেন তাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্ভাবনা বেশী। একই সঙ্গে চর্বি জাতীয় ও আমিষ জাতীয় খাবার বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় সময় মতো উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিতে পারলে তা কোলন ক্যান্সারের আশঙ্কা বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন- আর গ্রীন টি নয়, এবার ভরসা রাখুন স্পার্কলিং টি-তে

কোষ্ঠকাঠিন্য আপাতদৃষ্টিতে জটিল রোগ না হলেও এর প্রতিকার না হলে এটি জটিল সমস্যার সৃষ্টি করে। এর ফলে প্রস্রাবের সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘ স্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যের সচরাচর যে দুটি সমস্যা হয় তা হলো পাইলস ও এনালফিশার। কোন কোন ক্ষেত্রে দিনের পর দিন অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগের কারণে মলাধার দেহের বাইরে চলে আসতে পারে যাকে বলা হয় রেকটাল প্রোল্যাপস। তাই সময় থাকতেই সতর্ক হওয়া উচিত। প্রথমিক পর্যায়ে অ্যালোপ্যাথি ওষুধপত্রের চেয়ে প্রকৃতিক উপায়ে কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করা সম্ভব। জেনে নেওয়া যাক সেই ঘরোয়া প্রতিকারগুলি-

আরও পড়ুন- মটনের এই পদেই পাত হবে সাবাড়, রইল রেসিপি

প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে উষ্ণ জলে একটি গোটা পাতিলেবুর রস ও এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। এই নিয়মটি অভ্যাসে পরিণত করুন তাহলে সহজেই এই সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি পাবেন। 

অথবা এই পাণীয় ছাড়া প্রতিদিন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে আপেল বা একটি আঁশযুক্ত ফল খান।

ডায়েটে আঁশযুক্ত খাবার রাখুন। প্রচুর সবুজ শাক-সবজি ও ফল খান। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন মটরশুঁটি, বিনস, বাদাম, আলু। ব্রেকফাস্টে রাখুন হোলগ্রেইন জাতীয় খাবার। সেই সঙ্গে ডেয়ারি প্রোডাক্টও রাখতে হবে।

এর পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করতে প্রয়োজন শরীরচর্চা। কারণ শরীরচর্চা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমিয়ে দিতে পারে কয়েকগুণ। এর সঙ্গে প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটাও প্রয়োজন।

প্রোবায়োটিক খাবার বা প্রোবায়োটিক সাপ্লিমেন্টসও সঙ্গে রাখুন। যাদের অতিরিক্ত মাত্রায় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তাদের এই প্রোবায়োটিক ফুড অবশ্যই রাখতে হবে ডায়েটে।