কেউই প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করেন না তা ভাঙবেন বলে। কিন্তু তাও কজনই বা পারেন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে। সঙ্গে থেকে বুঝিয়ে ঠিক করে নেওয়া থেকে আজকের প্রজন্ম পান থেকে চুন খসলেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যায়। প্রেমের প্রথম দিকে তাদের উচ্ছাস দেখার মতো হলেও দিনে দিনে তা কমতে থাকে। প্রেমে পড়া যতটা আনন্দের, প্রেম টিকিয়ে রাখচে ততটাই কাঠখড় পোড়াতে হয়। আজ যার প্রেমে ডগমগ হয়ে তাঁর ছবিতে লাইক আর কমেন্টে ভরিয়ে দিচ্ছেন, তিনিই হয়তো দুদিন পরে অসহ্য হয়ে উঠতে পারেন। 

তবে কয়েকটি জিনিস নিয়মিত চলতে থাকলে বুঝবেন সম্পর্ক ভাঙার সময় হয়ে এসেছে। প্রথম দিনের সমীকরণ আর নেই। সেখানে জন্মে গিয়েছে অনেক আগাছা। জেনে নিন কোন লক্ষণগুলি দেখে বুঝবেন ভবিষ্য়তে এই সম্পর্ক আর টিকবে না- 

১) ভুল বোঝাবুঝির ইতি নেই- প্রত্য়েক সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি হয়। কিন্তু সেগুলি আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু মিটিয়ে নেওয়ার থেকে ইগো বড় জায়গায় চলে গিয়েছে, বুঝবেন এর আয়ু বেশিদিন নয়।  যদি দেখেন  ভুল বোঝাবুঝি বেড়েই চলেছে, কিন্তু সেগুলি আলোচনা করে মেটাচ্ছেন না, তাহলেও বুঝবেন এ সম্পর্কের মেয়াদ বেশিদিনের নয়।

২) গোপনীয়তার মাত্রা বেশি- সম্পর্কে স্পেস থাকা জরুরি। কিন্তু যদি দেখেন স্পেসটাই বেশি, তাহলে কিন্তু সমস্যা রয়েছে। সঙ্গী কখন, কোথায় কার সঙ্গে যাচ্ছেন তা আপনি জিজ্ঞাসা করলেই যদি সঙ্গী চটে যান তাহলে তা সম্পর্কের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। 

৩) সম্পর্ককে অযত্ন- প্রেমে পড়ার সময়ে যত্ন, ভালবাসা থাকে প্রবল। তখন সঙ্গী কখন খাচ্ছে, ঘুমোচ্ছে সবই যেন জানতে ভাল লাগে। কিন্তু এই সমীকরণ যদি বদলাতে থাকে এবং সম্পর্কের প্রতি একজন উদাসীন হয়ে যেতে থাকেন তা হলে সেই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ মোটেই সুখের নয়। 

৪) সংবেদনশীল সঙ্গীকে অনবরত আঘাত করা- কেউ কেউ বেশিই সংবেদনশীল হন। এটা বুঝেও যদি অন্য জন কথায় কথায় সঙ্গীকে অপমান করতে থাকেন, আঘাত করতে থাকেন তাহলে কিন্তু সেই সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হবে না। তাই আগে থেকে সাবধান হোন। 
 
৫) অবদমন- সব সম্পর্কে দুজনের মধ্যে একজনের একটু বেশি অবদমন করার স্বভাব থাকে। কিন্তু এই অবদমনের মাত্রা যদি লাগাম ছাড়া হয় তাহলে অন্য জনের শ্বাস নিতেও সমস্যা হবে। তাই সঙ্গী অবদমন করলে তাঁকে বোঝান এটা সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর। 

৬) অযথা মিথ্যে বলা- সম্পর্কের অন্যতম ভিত হল বিশ্বাস। অনবরত মিথ্যে কথা বলতে থাকলে তা সম্পর্কের স্বাস্থ্য খারাপ করে। মিথ্যে বলা অভ্যেসে দাঁড়ালে সেই সম্পর্ক টেনে না যাওয়াই ভাল।