সুস্থ থাকতে তাড়াতাড়ি ডিনার করা জরুরি, যা ব্লাড সুগার ও ঘুম উন্নত করে। তবে এর ফলে রাতে আবার খিদে পেতে পারে, যা এড়াতে ডিনারে প্রোটিন, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রাখা উচিত।

সুস্থ থাকতে হলে রাতের খাবার বা ডিনার তাড়াতাড়ি সেরে ফেলার কথা সব বিশেষজ্ঞই বলেন। সাধারণত, ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে ডিনার করে নেওয়া উচিত। এর অনেক স্বাস্থ্যকর দিকও আছে। যেমন, সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে ডিনার করলে শরীর দারুণভাবে উপকৃত হয়।

তাড়াতাড়ি ডিনার করলে রক্তে শর্করার মাত্রা বা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ঘুমের মানও ভালো হয়। তবে তাড়াতাড়ি ডিনার করার একটা সমস্যা হলো, রাতে আবার খিদে পেয়ে যেতে পারে। এটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু এই খিদের চোটে মাঝরাতে অস্বাস্থ্যকর খাবার বা স্ন্যাকস খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, এই সমস্যা থেকে বাঁচতে কী কী করতে পারেন।

চেষ্টা করুন সন্ধ্যা ৬:৩০ থেকে ৭টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিতে। আপনার ডিনারে যেন অবশ্যই প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার থাকে। যেমন - ডাল, পনির, টোফু, ডিম, চিকেন বা মাছ। এই ধরনের খাবারগুলো হজম হতে বেশি সময় নেয়, ফলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে এবং খিদে পায় না।

এর সঙ্গে রাখুন কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, যেমন - রুটি, ব্রাউন রাইস বা ওটস। এগুলো শরীরকে দীর্ঘক্ষণ ধরে শক্তি জোগায়। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হিসেবে ঘি, বাদাম, বিভিন্ন ধরনের বীজ বা অ্যাভোকাডো যোগ করতে পারেন। আপনার ডিনার যদি খুব হালকা হয় বা তাতে শুধু কার্বোহাইড্রেট থাকে, তাহলে রাত ৯টা থেকে ১১টার মধ্যেই আবার খিদে পেয়ে যেতে পারে। আর তার ফলেই মাঝরাতে স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

ওজন কমাতে এবং হজমশক্তি বাড়াতে ডিনারে চিয়া সিড বা ফ্ল্যাক্স সিড মেশানো টক দই, কয়েকটি বাদামের সঙ্গে ফল, অথবা এক গ্লাস গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকবে এবং পরে জাঙ্ক ফুড খাওয়ার ইচ্ছেও হবে না। সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন। আর ঘুমোতে যাওয়ার আগে ক্যাফেইন বা চিনি দেওয়া পানীয় একেবারেই এড়িয়ে চলুন।