ইন্দো তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি) -এ ৬০০০ এরও বেশি পদ শূন্য রয়েছে। জানুয়ারি মাসে একটি সংসদীয় প্যানেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএ) জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী। এই বাহিনী ৩,৪৮৮ কিলোমিটার অবধি চীন সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে। ২০১৪ সালে, মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং ২৩ অক্টোবর, ২০১৪-তে ঘোষণা করেছিলেন যে চীন সীমান্তে ৫৪ টি নতুন চেক পোস্ট মঞ্জুর করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অতিরিক্ত ১২ ব্যাটালিয়নে প্রায় ১২০০০ সেনার প্রয়োজন। রাজনাথ সিং আবার আইটিবিপি'র উত্থাপন দিবস প্যারেডে ২০১৭ সালেও ঘোষণা করেছিলেন যে ৫০ টি নতুন পদ অনুমোদিত করা হয়েছে আইটিবিপি-তে।

একজন প্রবীণ সরকারী কর্মকর্তা বলেছিলেন যে ৫৪ টি বিওপি মূলত অরুণাচল প্রদেশের জন্য রয়েছে,তবে এখনও অবধি সেখানের জন্য কোনও সুপারিশ আসেনি। ২০১৯ সালে ২৩ শে অক্টোবর স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন যে ২০১৪ সাল থেকে  ২৩ টি নতুন বিওপি নির্মাণ করা রয়েছে চীন সীমান্তে। ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের পরে চারটি ব্যাটালিয়ন নিয়ে গঠিত হয় বর্তমানে আইটিবিপি ব্যাটালিয়ন। এই ব্যাটালিয়ন উত্তর-পশ্চিমের কারাকোরাম পাস থেকে অরুণাচল প্রদেশের জাচাপ লা পর্যন্ত ১৮০ টি সীমান্ত চেক পোস্টে মোতায়েন করা হয়েছিল। 

 আইটিবিপি, কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ), সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ), শশস্ত্র সীমা বাল (এসএসবি) নিয়ে গঠিত কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীতে (সিএপিএফ) , কেন্দ্রীয় শিল্প সুরক্ষা বাহিনী (সিআইএসএফ) এবং আসাম রাইফেলস বিভাগে সামগ্রিকভাবে মোট ১১ শতাংশ প্রায় ১,০৩,৩৬৭ টি শূন্যপদ রয়েছে। আইটিবিপি-তে ৬২৩০ টি পদ বা ৭ শতাংশ পদ শূন্য রয়েছে। আইটিবিপি মহাপরিচালক এস এস দেশওয়াল গত বছরের ২৩ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন যে, গত নয় মাসে ৮৪২ টি শূন্যপদ পূরণকারী ১২ টি পদে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে এবং বিভিন্ন এ, বি এবং সি বিভাগে ৫৩৫ জন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে।