পর্যটকদের কাছে টানতে প্রস্তুত পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ির ‘গাছঘর’। ইতিমধ্যেই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে এই ‘কনসেপ্ট’। জঙ্গলের পাশে বিশাল ফাঁকা মাঠ। তার মাঝে কদম গাছের উপর তৈরি হয়েছে একটি অভিনব ঘর।
শীতকালে পর্যটকদের টানতে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে নতুন আকর্ষণ হল রোমাঞ্চকর ‘গাছঘর’, যা খড়, কাঠ, বাঁশ ও পাতা দিয়ে তৈরি এক অভিনব কটেজ যা জঙ্গলের পাশে বিশাল মাঠে একটি কদম গাছের উপর নির্মিত, যা শীতের মরসুমে প্রিয়জনের সঙ্গে প্রকৃতির মাঝে এক নতুন অভিজ্ঞতার স্বাদ দিতে প্রস্তুত। এখানে শহুরে কোলাহল থেকে দূরে একান্তে সময় কাটানো এবং রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা সম্ভব।
গাছঘরের আকর্ষণ: * প্রকৃতির কাছাকাছি: এই ঘরটি সরাসরি জঙ্গলের ধারে এবং বিশাল খোলা মাঠের মধ্যে অবস্থিত, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আদর্শ।
* অভিনব স্থাপত্য: খড়, কাঠ, বাঁশ ও পাতা দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি একটি rustic ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে, যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
* রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা: একটি গাছের উপর ঘর, যা শহুরে জীবনে একঘেয়েমি কাটাতে এবং নতুন রোমাঞ্চ খুঁজতে সাহায্য করবে, বিশেষত প্রিয়জনের সাথে।
* শীতের আমেজ: শীতের সকালে বা সন্ধ্যায় গাছের উপর থেকে চারপাশের প্রকৃতি উপভোগ করা এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা দিতে পারে।
কারা যাবেন:
* দম্পতি ও পরিবার: যারা নিরিবিলি পরিবেশে প্রিয়জনের সাথে একান্ত সময় কাটাতে চান। * প্রকৃতিপ্রেমী: যারা জঙ্গলের কাছাকাছি থাকতে, পাখি দেখতে বা প্রকৃতির রূপ উপভোগ করতে ভালোবাসেন। * অ্যাডভেঞ্চার সন্ধানকারী: যারা সাধারণ রিসোর্ট থেকে বেরিয়ে নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা চান।
কেন যাবেন এখানে :
* নতুনত্ব: এই ধরনের ‘গাছঘর’ একটি নতুন এবং উদ্ভাবনী পর্যটন ধারণা যা সাধারণ হোটেল বা রিসোর্টের থেকে আলাদা। * শান্তি ও নিরিবিলি: কোলাহলমুক্ত পরিবেশে নিজেকে সতেজ করার জন্য এটি একটি দারুণ জায়গা। * স্মরণীয় মুহূর্ত: প্রিয়জনের সাথে এমন একটি ভিন্নধর্মী পরিবেশে কাটানো মুহূর্তগুলো স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
কীভাবে যাবেন:
* পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়ারী অঞ্চলে এটি অবস্থিত, তাই কেশিয়াড়ি পর্যন্ত পৌঁছে সেখান থেকে স্থানীয় পরিবহন বা ব্যক্তিগত গাড়ির মাধ্যমে যাওয়া যেতে পারে।
সংক্ষেপে, শীতকালে এক অন্যরকম রোমাঞ্চকর ও রোমান্টিক অভিজ্ঞতা পেতে চাইলে এই ‘গাছঘর’ পর্যটকদের জন্য একটি দারুণ আকর্ষণ হতে পারে।
