Dooars Travel Tips: পাহাড় আর সমতলের ঠিক সন্ধিক্ষণে, মেঘ ও রোদ্দুরের লুকোচুরির মাঝে এমনই এক নতুন এবং আনকোরা গন্তব্যের নাম 'শিকারিটার' (Shikari Tar)। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Travel Tips: দার্জিলিং-এর দাদাগিরি শেষ করে যারা নতুন কোনো প্রকৃতির সান্নিধ্য খুঁজছেন, তাদের জন্য 'শিকারিটার' একটি অসাধারণ বিকল্প হতে পারে। এটি

একটি ডুয়ার্সের নতুন এবং আনকোরা অফবিট গন্তব্য 'শিকারিটার' (Shikari Tar) পাহাড় ও সমতলের সন্ধিক্ষণে মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরির মাঝে অবস্থিত একটি স্নিগ্ধ, শান্ত ও জনবসতিহীন স্থান। এটি দার্জিলিং পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত, যেখানে প্রকৃতির মনোরম রূপ ও নিস্তব্ধতা উপভোগ করা যায়।

শিকারিটারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:- 

শিকারিটারের মূল আকর্ষণ হলো এর অকৃত্রিম নিস্তব্ধতা। চারদিকে দিগন্তবিস্তৃত চা বাগান, সুপারি গাছের সারি এবং দূরে নীল পাহাড়ের হাতছানি। যেহেতু এই জায়গাটি কিছুটা উঁচুতে অবস্থিত, তাই এখান থেকে ডুয়ার্সের সমতলভূমির এক অনবদ্য 'বার্ডস আই ভিউ' বা পাখির চোখের মতো দৃশ্য দেখা যায়। আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার উঁকিঝুঁকিও পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

শিকারিটার মূলত প্রকৃতিপ্রেমীদের জায়গা। এখানে কোনও বড় শপিং মল বা পার্ক নেই, আছে শুধু বিশুদ্ধ অক্সিজেন। গ্রামের আঁকাবাঁকা পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে যাওয়া যায় স্থানীয় ভিউ পয়েন্টে। সেখান থেকে সূর্যাস্তের দৃশ্য এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি করে। কাছেই রয়েছে চেল নদী এবং মাল নদী। চাইলে গাড়ি নিয়ে ঘুরে আসা যায় সেই নদীখাত থেকেও। এছাড়া এখান থেকে লাভা, গোরুবথান বা ঝালং-এর মতো জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলিও খুব বেশি দূরে নয়।

* অবস্থান: এটি ডুয়ার্স অঞ্চলে অবস্থিত একটি অফবিট বা লুকানো রত্ন।

* পরিবেশ: পাহাড় এবং সমতলের মিলনস্থল হওয়ায়, এখানে চমৎকার প্রাকৃতিক দৃশ্য ও মেঘ-রোদ্দুরের খেলা দেখা যায়।

* বৈশিষ্ট্য: খুব নিরিবিলি, যা কোলাহল থেকে দূরে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।

* আকর্ষণ: নতুন এবং আনকোরা গন্তব্য হওয়ায় প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য একটি উপযুক্ত স্থান।

* যেহেতু এটি একটি অফবিট গ্রাম, তাই এখানে বড় কোনও হোটেল বা রিসর্ট নেই। পর্যটকদের জন্য ভরসা এখানকার হাতেগোনা কয়েকটি হোমস্টে।

* কীভাবে যাবেন?

শিয়ালদহ বা হাওড়া থেকে ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) বা নিউ মাল জংশনে নামতে হবে। মাল জংশন থেকে শিকারিটারের দূরত্ব কম, প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার। গাড়ি ভাড়া করে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায়। আর বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।