তিরুবন্তপুরমের আদি বাসিন্দা রাসেলের দাবি, ছোট থেকেই কিছু অন্য রকম করতে চেয়েছিলেন তিনি। 

সারাদিন ভাবতে হয় সকলের কাছে সময় মতো খাবার পৌঁছল কিনা। কর্মচারীরা ঠিক করে কাজ করছে কিনা। সে সব সামলান দক্ষ হাতেই। তা বলে মন্ত্রীর কুর্শি? হ্যাঁ আপাতত তাকেই পাখির চোখ করে দৌড়চ্ছেন সুইগির ডেলিভারি একজিকিউটিভ জেনিভার জে রাসেল। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

৩৮ বছর বয়েসি জেনিফার ইঞ্জিনিয়রিং পড়েছেন। সুইগির কাজের জেরে তার জনসংযোগও বিরাট। জানেন মানুষের সুবিধে অসুবিধের কথা। তাকেই ভিত করে লড়তে চলেছেন রাসেল। বেঙ্গালেরু কেন্দ্রে তাঁর নির্বাচনী প্রতীক ডিশ অ্যান্টেনা। আগামী ১৩ মে নির্ধারিত হবে তার ভাগ্য। 

কিন্তু হঠাৎ ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত কেন? তিরুবন্তপুরমের আদি বাসিন্দা রাসেলের দাবি, ছোট থেকেই কিছু অন্য রকম করতে চেয়েছিলেন তিনি। ১৩ মে যখন অন্য প্রার্থাীদের সঙ্গে ইভিএম-এ তার নামও দেখা যাবে তখন সফল হবে তাঁর পরিকল্পনা। 

এই পরিকল্পনাকে সফল করার জন্য অনেক মূল্যও দিতে হয়েছে রাসেলকে। গিয়েছে উবেরের পাকা চাকরি। তবে রাসেল মনে করেন সাপে বর। মানুষকে খাবার দিতে গিয়ে তাঁদের ভাবনা চিন্তার মুখোমুখি হতে পেরেছেন। তাই আশা ছাড়ছেন না তিনি।


আগামী ২৩ মে নির্ধারিত হবে ভোটভাগ্য। সুইগির ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ কি লোকসভায় যাবে? উত্তর হ্যাঁ হলে নিঃসন্দেহে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচিত হবে।