সঞ্জীব কুমার দুবে, পূর্ব মেদিনীপুর: দাম্পত্য জীবন সুখের ছিল না। স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের প্রতিবাদ করতে গিয়েই খুন গেলেন? শ্বশুরবাড়ির কাছে রাস্তায় মিলল যুবকের দেহ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের মছলন্দপুরে। তদন্তে নেমেছে মহিষাদল থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন: বিপদ বাড়ছে জনপ্রতিনিধিদের, ফের করোনায় আক্রান্ত হলেন এক তৃণমূল বিধায়ক

ঘটনাটি ঠিক কী? মহিষাদলের কালিকাকুণ্ডু গ্রামে থাকতেন বছর তিরিশের বিশ্বজিৎ মাইতি। স্ত্রী ও পাঁচ বছরের মেয়েকে নিয়ে সংসার। কিন্তু স্ত্রী ঝর্ণার সঙ্গে একেবারেই বনিবনা ছিল না বিশ্বজিতের। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নিত্যদিন অশান্তি লেগে থাকত। অশান্তি এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, দিন কয়েক আগে মেয়েকে নিয়ে মছলন্দপুরে বাপের বাড়িতে চলে যান ঝর্ণা। এরপর খবর আসে, বাপের বাড়ির লোকের ফের তাঁর বিয়ে দিয়েছেন। স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর শুনে আর স্থির থাকতে পারেননি বিশ্বজিৎ। বৃহস্পতিবার সকালেই চলে যান শ্বশুরবাড়িতে। আর সেটাই কাল হল। 

আরও পড়ুন: রেশনের কুপন বিলিতেও 'স্বজনপোষণ', বিডিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ পরিযায়ী শ্রমিকদের

দিনভর খোঁজাখুঁজি করেও স্ত্রীর আর খোঁজ পাননি ওই যুবক। শুক্রবার মছলন্দপুরের রাস্তায় বিশ্বজিতের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে মহিষাদল থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, মৃতের গলায় সরু নাইলনের দড়ি ফাঁস লাগানো ছিল। সেই দড়িটি আবার বাঁধা ছিল রাস্তার পাশে একটি গাছে। আঘাতের চিহ্ন ছিল মাথায়ও। কীভাবে ঘটল এমন ঘটনা? পুলিশে জেরার মুখে পড়েছেন বিশ্বজিতের শ্বশুর। তাঁকে আটক করে থানায় গিয়েছে পুলিশ। এদিকে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলতে চাননি স্থানীয় বাসিন্দারা।