মেচেদায় এক মহিলা ব্যাংক কর্মীর করোনা পজেটিভ হওয়ায় ব্যাংক ও একটি নার্সিং হোমকে সিল করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য  দফতর। কয়েকদিন আগে বাইক দুর্ঘটনায় মেচেদার এক নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয় ঐ মহিলাকে। পরে তমলুক জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখান থেকে আমরি হাসপাতালে ভর্তি করলে লালারস পরীক্ষা করা হয় ওই মহিলার। সেখানে তার সওয়াব টেস্ট করলে জানা যায়, ওই মহিলার করোনায় আক্রান্ত।

কলকাতায় মাকে দেখতে এসে ত্রাণ সেবায় ব্রত প্রবাসী বাঙালি, অনলাইনে পড়তে শিক্ষার্থীদের দিলেন নিজের স্মা.

তারপরেই  তৎপর হয় জেলা প্রশাসন। প্রথমে ব্যাংক সিল করা হয়। পরে ব্যাংকের সমস্ত কর্মীকে হোম কোয়ারান্টাইনে পাঠানো হয়। ওই মহিলা কর্মীর পরিবারের  ছয়জন,ব্যাংক-এর ১২ জনকে লালারস পরীক্ষা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার সময় যারা ওই মহিলাকে তুলে ধরতে সাহায্য করেছিলেন তাদেরও সোয়াব টেস্ট করাতে হচ্ছে।

এছাড়া মেচেদা নার্সিংহোমে যে সমস্ত নার্স ওই রোগীর চিকিৎসা করেছিলেন এমনকী যে গাড়িতে করে নিয়ে ওই মহিলাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো তমলুক হাসপাতালে তার চালকেরও সোয়াব টেস্ট করা  হয়েছে। বাকি থাকেননি তমলুক হাসপাতালের  চিকিৎসক, নার্স স্বাস্থ্য়কর্মীরাও। হাসপাতালের যাঁরা ওই মহিলার চিকিৎসা করেছিলেন এবং ওই মহিলার সংস্পর্শে থাকা সবারই সওয়াব টেস্ট করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। 

লকডাউনে এন্ট্রি ও এক্সিট ই-পাস চালু করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার, জানুন প্রয়োজনীয় একাধিক নাম্বার.

যেহেতু ওই মহিলা ব্যাংকে ক্যাশ লেনদেন করতেন তাই বিগত ১৪ দিন  ওই ব্যাঙ্কে কারা যাতায়াত করেছেন তাদের নামের তালিকা চেয়ে পাঠিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। আপাতত ব্যাঙ্করে সবাইকে হোম আইসোলেশনে থাকতে বলেছে স্বাস্থ্য় দফতর। সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট  এলেই বাকি ব্যবস্থা নেবে তারা।