দিল্লিতে হিংসার ঘটনা নিয়ে এখনো সকলেই আতঙ্কে। সেই আতঙ্কের বারুদের গন্ধে এর মাঝেই বিশুদ্ধ ভাবনার অক্সিজেন বইয়ে দেয় ইয়াসিন পাঠানোর মতো সম্প্রীতির নিদর্শকরা। রবিবার মেদিনীপুর শহর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে সম্প্রীতির বসন্ত উৎসবের আয়োজন করলেন , মন্দিরময় পাথরার জনক ইয়াসিন পাঠান।

মানুষ নয় ১০০ দিনের কাজের বরাত জেসিবি মেশিনকে, পুরুলিয়ায় চরম কেলেঙ্কারি

মেদিনীপুর সদর ব্লকের অন্তর্গত পাথরা এলাকাতে ৩৪ টি হিন্দু মন্দির সংরক্ষণের জন্য লড়াই দীর্ঘদিন ধরে করে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াসিন পাঠান। তার উদ্যোগেই প্রাচীনকালের ওই মন্দিরগুলি সংরক্ষণ করে পর্যটনকেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া।হিন্দু-মুসলিম সমস্ত সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকেই ইয়াসিন পাঠানের এই উদ্যোগ সম্প্রীতির নিদর্শন বলেই উল্লেখ করে থাকেন।

দিদিকে বলো-তে ফোন করার ডাক, মঞ্চ থেকে এ কী বললেন অমিত শাহ

সেই ইয়াসিন পাঠানের পাথরা পুরাতত্ত্ব সংরক্ষণ কমিটিকে সঙ্গে নিয়ে ফটোগ্রাফার অ্যাসোসিয়েশন অফ মেদিনীপুর রবিবার ওই পাথরার মাঠেতেই একটি বসন্ত উৎসবের আয়োজন করেছিল। যেখানে মেদিনীপুর শহর ও আশেপাশের বিভিন্ন শিল্পী, কবি ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিক, উৎসব প্রেমীরা হাজির হয়েছিলেন। উৎসবটির উদ্বোধন করেছিলেন জেলাশাসক রশমি কমল। ছিলেন, মহকুমাশাসক, বিডিও সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরাও। 

কলকাতার বুকেও 'গোলি মারো', বিতর্কিত স্লোগানে কাঁপল ধর্মতলা

অনুষ্ঠানে কবিতাপাঠ, সংগীতের আসর, নৃত্য কলা প্রদর্শন মিলিয়ে রঙিন উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছিল।যেখানে অংশ নিয়েছিলেন মেদিনীপুর শহর ও সংলগ্ন এলাকার নাচের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ও নৃত্যানুরাগীরা।  এদিন ইয়াসিন পাঠান বলেন," অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর আমরা ভালো সাড়া পেয়েছি। হিংসার বাতাবরণে দেশ যখন চলছে তখন এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার সময় আমাকে কেউই উৎসাহ দিতে কম করেননি। আর যাই হোক সম্প্রীতির এই মুহূর্তটুকু ধরে রাখার জন্য সারা বছর মুখিয়ে থাকি।"